✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০১, | ১৪:৩১:৫৮ |গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ওঠা বেলজিয়ামের সামনে এবার কঠিন পরীক্ষা। বুধবার সিয়াটলে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে তাদের প্রতিপক্ষ সেনেগাল। একদিকে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল, অন্যদিকে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল হিসেবে নকআউটে ওঠা আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ফলে জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষা ফুটবলপ্রেমীদের।
গ্রুপ পর্বে বেলজিয়ামের শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না। প্রথম ম্যাচে মিসরের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে সমালোচনার মুখে পড়ে দলটি। তবে শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় রুডি গার্সিয়ার শিষ্যরা। পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকেই শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করে তারা।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের নবম স্থানে থাকা বেলজিয়াম ২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েছিল। তবে ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। এবার অন্তত শেষ ষোলো নিশ্চিত করে আরও দূর যাওয়ার লক্ষ্য ডি ব্রুইনদের।
অন্যদিকে সেনেগালের গ্রুপ পর্ব ছিল উত্থান-পতনের। প্রথম দুই ম্যাচে ফ্রান্স ও নরওয়ের কাছে হেরে বড় চাপে পড়ে দলটি। কিন্তু শেষ ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে হারিয়ে শুধু নকআউটই নিশ্চিত করেনি, বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে এক ম্যাচে পাঁচ গোল করার কীর্তিও গড়েছে।
২০০২ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাই সেনেগালের সেরা সাফল্য। এবার সেই ইতিহাস ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে তেরাঙ্গার সিংহরা। শেষ বত্রিশে ওঠা আফ্রিকার নয়টি দলের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা ইতোমধ্যে বিদায় নিয়েছে। তাই মহাদেশের আশা এখন অনেকটাই সেনেগালের কাঁধে।
দুই দল এর আগে কখনো কোনো পর্যায়ে একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। ফলে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে এটিই হবে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ।
বেলজিয়াম শিবিরে বড় কোনো সমস্যা নেই। গোলবারের নিচে থাকবেন অভিজ্ঞ থিবো কোর্তোয়া। পায়ের চোটে জেনো ডেবাস্টকে নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও তিনি অনুশীলনে ফিরেছেন। শেষ মুহূর্তে তাকে পাওয়ার আশা করছে দল।
আক্রমণে লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্দ দুটি গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কেভিন ডি ব্রুইন, রোমেলু লুকাকু ও আলেক্সিস সালেমেকার্সও গোল পেয়েছেন। ফলে বেলজিয়ামের আক্রমণভাগ বেশ শক্তিশালী।
অন্যদিকে সেনেগালের জন্য বড় ধাক্কা গোলরক্ষক এদুয়ার মেন্ডির চোট। নরওয়ের বিপক্ষে হাঁটুতে আঘাত পাওয়ার পর তিনি চিকিৎসার জন্য সৌদি আরবে নিজের ক্লাবে ফিরে গেছেন। তার খেলা প্রায় অনিশ্চিত। রক্ষণে কালিদু কুলিবালির পরিবর্তে আবারও সুযোগ পেতে পারেন আবদুলায়ে সেক। আর আক্রমণে ইসমাইলা সার, সাদিও মানে ও নিকোলাস জ্যাকসনের ওপরই ভরসা থাকবে সেনেগালের।