✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

জুমার দিনে যে ২ আমলে মিলতে পারে গুনাহ মাফের সুযোগ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২৫, | ১২:১৮:১৭ |

মুসলিমদের কাছে জুমার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। এই দিনের নামাজ ও ইবাদতের রয়েছে বিশেষ ফজিলত। হাদিসে জুমার দিনের কিছু আমলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন গুনাহ থেকে ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ লাভ করতে পারেন। হাদিসে এসেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা এবং এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মাঝের সময়ের গুনাহের জন্য কাফফারা হয়ে থাকে, যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকা হয়। (মুসলিম)

জুমার দিনের কিছু আমল খুবই সহজ। সামান্য প্রস্তুতি ও মনোযোগের মাধ্যমেই এসব আমল পালন করা সম্ভব।

১. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ভালোভাবে অজু করে জুমার নামাজের জন্য মসজিদে আসে, মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে এবং নীরব থাকে, তার এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি অনর্থকভাবে কংকর স্পর্শ করে, সে অনর্থক কাজে লিপ্ত হলো। (মুসলিম)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, খুতবার সময় মনোযোগ ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কথা বলা, অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া করা কিংবা অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লে খুতবার প্রতি মনোযোগ নষ্ট হতে পারে। তাই ইমাম খুতবা শুরু করলে নীরব থেকে তা মনোযোগ দিয়ে শোনা উচিত।

২. পরিচ্ছন্ন হয়ে মসজিদে যাওয়া

হযরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে যথাসম্ভব ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন করে, শরীরে তেল ব্যবহার করে অথবা সুগন্ধি লাগায়, এরপর মসজিদে যায়, দুই ব্যক্তির মাঝখানে গিয়ে তাদের আলাদা করে না এবং নিজের জন্য নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। এরপর ইমাম খুতবার জন্য বের হলে নীরব থাকে তার ওই জুমা থেকে পরবর্তী জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (ইবনে মাজাহ)

হাদিসটি থেকে জুমার দিনের পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতির গুরুত্বও বোঝা যায়। গোসল করা, পবিত্রতা অর্জন করা, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং সময়মতো মসজিদে পৌঁছানো জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল ও আদবের মধ্যে রয়েছে। জুমার দিন একজন মুসলমানের জন্য ইবাদতের বিশেষ সুযোগ নিয়ে আসে। তাই নামাজের আগে যথাযথভাবে প্রস্তুতি নেওয়া, পরিচ্ছন্ন থাকা, সময়মতো মসজিদে পৌঁছানো এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা উচিত। পাশাপাশি খুতবার সময় অপ্রয়োজনীয় কথা বলা বা এমন কোনো কাজে ব্যস্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, যা ইবাদতের মনোযোগ নষ্ট করে।

আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতি অত্যন্ত দয়ালু। তিনি ইবাদতের বিভিন্ন সুযোগ দিয়েছেন, যার মাধ্যমে বান্দা তাঁর নৈকট্য লাভ করতে এবং গুনাহ থেকে ক্ষমা পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে। জুমার দিনও তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনের ফজিলতপূর্ণ আমলগুলো যথাযথভাবে পালনের এবং হাদিসের নির্দেশনা অনুনির্দেশনা অনুযায়ী আমল করার সুযোগ দিন। আমিন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..