✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

এল নিনো আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৪, | ১২:২৭:১৪ |

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এল নিনো আবহাওয়াজনিত ঘটনা ২০২৭ সাল পর্যন্ত আরও শক্তিশালী হতে পারে, যা আগামী বছর বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলবে। শুক্রবার দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের এই আবহাওয়া সংস্থা বলেছে, পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রশান্ত মহাসাগরের অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ পানির কারণে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনো চলমান থাকার প্রায় ১০০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে।

একটি শক্তিশালী এল নিনো বৈশ্বিক বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে এবং টাইফুনসহ চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, “এল নিনো আমাদের চোখের সামনেই আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিজ্ঞান বলছে এতে কোনো সন্দেহ নেই—পৃথিবী এখন অজানা পরিস্থিতির মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং সেই পরিস্থিতি ক্রমেই উষ্ণ হচ্ছে।”

এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াগত ঘটনা, যা বাণিজ্যিক বায়ুপ্রবাহ দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে সৃষ্টি হয়। এটি সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর ঘটে এবং প্রায় ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। এর ফলে লাতিন আমেরিকায় অতিবৃষ্টি ও খরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

চলতি বছরের এই এল নিনো ইতোমধ্যে উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের কৃষিপণ্যে প্রভাব ফেলেছে এবং মধ্য আমেরিকার ড্রাই করিডরে খাদ্য সংকট আরও তীব্র করেছে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, এটি চলতি বছরের শেষ নাগাদ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।

ডব্লিউএমও’র মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো বলেছেন, সংস্থাটি প্রস্তুতি ও আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদার করছে।

তিনি বলেন, “ডব্লিউএমও জাতিসংঘ ও মানবিক সহায়তা ব্যবস্থার অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, যাতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, স্বাস্থ্য, জ্বালানি ও পানি সম্পদ খাতে প্রয়োজনীয় জলবায়ু তথ্য ও পূর্বাভাস সরবরাহ করা যায়।”

সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..