সর্বশেষ :
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান বাড়ানো দরকার : শিক্ষামন্ত্রী ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার ভিসা সেন্টার খোলার অনুরোধ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ দিল্লির বস্তিতে ৫৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বেঁচে থাকার গল্প জনবল নিয়োগ দিচ্ছে সাউথইস্ট ব্যাংক ‘লাইক’-এর নেশায় উল্টো পথে গাড়ি, প্রাণ গেল ৫ কিশোরের ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২৩, বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ 'বস্ত্র-পাট খাতের আধুনিকায়নে চীনের সহযোগিতা কাজে লাগানো হবে' বিকল্প ফ্লাইটে নেপাল থেকে দেশে ফিরেছেন ১২৭ যাত্রী 'নির্বাচিত সরকারের প্রতি জনগণের রয়েছে অভূতপূর্ব সমর্থন'

গাজা শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান : ৮ মুসলিম দেশের নিন্দা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৭, | ১১:২২:২৯ |

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রস্তাবিত ১৫ দফা রোডম্যাপ ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আট মুসলিম দেশ।বার্তাসংস্থা জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

রোববার এক যৌথ বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব ও মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলের অবস্থানের সমালোচনা করে।

বিবৃতিতে দেশগুলো অভিযোগ করে, ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্ত হামাসের সঙ্গে গাজায় যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে ট্রাম্পের উদ্যোগও এতে ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা দাবি করে।

গত ৯ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, হামাস ‘প্রকৃত অর্থে নিরস্ত্র’ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজা থেকে কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না।

বোর্ড অব পিসের প্রধান নিকোলায় ম্লাদেনভ গত মে মাসে পরিকল্পনাটি প্রকাশ করেন। এতে বলা হয়েছিল, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে আইডিএফের সেনা প্রত্যাহার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রতিটি ধাপের অগ্রগতি যাচাইয়ের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

যৌথ বিবৃতিতে আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা দাবি করেন, পরিকল্পনাটি গ্রহণে হামাসের সম্মতি একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’। তাদের মতে, এটি হামাসের নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি নির্দেশ করে।

দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইসরায়েলকে পরিকল্পনার আওতায় থাকা প্রতিশ্রুতি ও ব্যবস্থাগুলো পুরোপুরি মেনে চলতে বাধ্য করার আহ্বান জানিয়েছে। নেতানিয়াহুর প্রত্যাখ্যান সত্ত্বেও ‘কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান’ বাস্তবায়নে ইসরায়েলের পূর্ণ সম্মতি নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটনের ভূমিকা পালনের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান, বাস্তবায়নে বাধা, বিলম্ব কিংবা কোনো ধরনের অসহযোগিতার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য ইসরায়েল ‘সরাসরি ও সম্পূর্ণ দায়ী’ থাকবে। এর ফলে গাজার পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা ব্যাহত হলে তার দায়ও ইসরায়েলের ওপর বর্তাবে বলে মন্তব্য করেন তারা।

আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, গাজার মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা দ্রুত এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।

এদিকে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে মতপার্থক্য গাজায় দীর্ঘদিনের সংঘাতের অন্যতম প্রধান জটিলতা হয়ে রয়েছে। ফলে বোর্ড অব পিসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..