✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৬, | ১০:৪৮:১২ |মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’ এবং একটি বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানের মধ্যে আকাশে বিপজ্জনকভাবে দূরত্ব কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সংস্থা। ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ঘটনাটির কারণ খতিয়ে দেখছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে মেরিন ওয়ান হোয়াইট হাউস থেকে অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটির উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। প্রায় একই সময়ে ওয়াশিংটনের রিগান ন্যাশনাল বিমানবন্দর থেকে ‘এনভয় এয়ার’ পরিচালিত আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি এমব্রেয়ার ই-১৭০ যাত্রীবাহী বিমানও আকাশে ওঠে।
সাধারণ নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টার বা বিমান চলাচলের সময় আশপাশে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের উড্ডয়ন সাময়িকভাবে সীমিত রাখার কথা। তবে যোগাযোগে অস্পষ্টতা ও সমন্বয়ের বিলম্বের কারণে দুই উড়োজাহাজের মধ্যকার আনুভূমিক দূরত্ব এক মাইলেরও নিচে নেমে আসে।
ফেডারেল নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, আকাশে চলমান দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে অন্তত ১ দশমিক ৫ মাইল আনুভূমিক অথবা ৫০০ ফুট উল্লম্ব নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হয়।
ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো সময়ই সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে ছিলেন না। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যতম দক্ষ বৈমানিকরা মেরিন ওয়ান পরিচালনা করেন এবং পুরো ঘটনা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে এফএএ জানিয়েছে, দুই উড়োজাহাজের মধ্যে দূরত্ব নির্ধারিত নিরাপত্তা সীমার নিচে নেমে এলেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল পুরো সময় উভয় বিমানের পাইলটদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনের একই বিমানবন্দর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বিমান ও সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হওয়ার পর ওই আকাশসীমায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়। সর্বশেষ ঘটনায় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণে ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সূত্র : এপি ও রয়টার্স।