সর্বশেষ :
ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মব্যস্ত মানুষ, দেরিতে ট্রেন ছাড়ার অভিযোগ ইরান যুদ্ধ: জরুরি ‘কোবরা’ বৈঠক ডেকেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে হতাশা থেকে হুমকি দিচ্ছে তারা : ইরানের প্রেসিডেন্ট ট্যাঙ্কার যুদ্ধের দুঃস্বপ্ন, হরমুজে ফের ডুববে মার্কিন আধিপত্য? সংঘাতমুখী অবস্থান নিচ্ছে ইরানের নতুন নেতৃত্ব তিন সপ্তাহের হামলায় যা বোঝা গেল, আসলে কী চায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল? ইরান লন্ডনে হামলা চালাতে সক্ষম, ইসরায়েলের এমন দাবি নাকচ করল যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়: কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২১-০৩-১৯, | ১৩:১৯:৫০ |

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধির পথে যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই পথ অনুসরণ করে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনন্য সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে; আর সেটি হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে চূড়ান্ত যোগ্যতা অর্জন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উদযাপনে অংশ নিয়ে হুন সেন ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন। ‘মুজিব চিরন্তন’-এর দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার এ ভিডিও বার্তা প্রচারিত হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার মধ্যে ১৯৭৩ সালে বন্ধুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল কম্বোডিয়ার প্রয়াত রাজা সিহানুক ও বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাধ্যমে। সে সময় আলজেরিয়াতে জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তারা। তখন থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

হুন সেন বলেন, বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৯৯৩ সালে। গত তিন দশকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে এবং উভয় দেশ দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থায় একে অপরকে সহযোগিতা করছে।

২০১৪ সালে তার ঢাকা সফর এবং ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নমপেন সফরের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সময় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে অনেক চুক্তি সই হয় দুই দেশের মধ্যে। দুই দেশের জাতির পিতার নামে দুটি রাস্তার নামকরণ করার ব্যাপারেও ঐকমত্য হয়।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক উদযাপনে আমি সশরীরে অংশ নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতি এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় আসতে পারিনি। বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..