✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২২, | ১৮:৫৭:০৯ |প্রায় দেড় মাসের লড়াই শেষে পর্দা নেমেছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই আসরে অধিকাংশ ফুটবলারই অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন। তবে কয়েকজন পরিচিত তারকার জন্য বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে বেঞ্চেই বসে। পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামতে পারেননি তারা।
ফ্রান্সের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার এনগোলো কান্তে সেই তালিকার সবচেয়ে আলোচিত নাম। ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলারকে পুরো আসরেই বেঞ্চে রেখেছেন কোচ দিদিয়ের দেশম। এমনকি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও তার খেলার সুযোগ হয়নি।
ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডার কোবি মাইনুও পুরো বিশ্বকাপ কাটিয়েছেন মাঠের বাইরে। ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শুরুর একাদশে থাকা এই মিডফিল্ডার বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের একমাত্র আউটফিল্ড খেলোয়াড়, তিনি এক মিনিটও খেলতে পারেননি।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের দলেও ছিলেন কয়েকজন দুর্ভাগা ফুটবলার। ইনজুরির কারণে ভিক্টর মুনিয়োজ টুর্নামেন্টের শুরুতে ছিটকে পড়েন এবং পরে আর মাঠে নামতে পারেননি। গোলরক্ষক ডেভিড রায়াও পুরো আসরে বেঞ্চেই ছিলেন। উনাই সিমনের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে তার সুযোগ মেলেনি। একইভাবে লেফট ব্যাকে মার্ক কুকুরেয়ার দুর্দান্ত নৈপুণ্যের কারণে পুরো টুর্নামেন্টে মাঠে নামা হয়নি আলেজান্দ্রো গ্রিমালদোরও।
ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ডও সুযোগবঞ্চিতদের একজন। জর্ডান পিকফোর্ডের পাশাপাশি ডিন হেন্ডারসনও সুযোগ পেলেও ট্রাফোর্ডকে পুরো আসরেই অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে।
ব্রাজিলের ডিফেন্ডার ব্রেমারও বিশ্বকাপ শেষ করেছেন মাঠে না নেমেই। গ্যাব্রিয়েল ও মারকিনিওসের স্থায়ী জুটির কারণে তার সুযোগ হয়নি। একইভাবে ইনজুরির কারণে শুরুর ম্যাচগুলো মিস করা উরুগুয়ের রোনাল্ড আরাউহো আর পরে একাদশে ফিরতে পারেননি।
পর্তুগালের সেন্টারব্যাক গনসালো ইনাসিওও পুরো টুর্নামেন্টে দর্শক হয়ে ছিলেন। রুবেন দিয়াস ও রেনাতো ভেইগার জুটির কারণে তাকে বেঞ্চেই বসে থাকতে হয়েছে। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের ম্যাটস উইফারও জুরিয়েন টিম্বারের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও খেলার সুযোগ পাননি। ডেনজেল ডামফ্রিস পুরো আসরজুড়ে রাইট-ব্যাক পজিশনে খেলায় উইফারের বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে কোনো ম্যাচে মাঠে না নেমেই।