বিশ্বকাপে ফেরার মিশনে ইতালিসহ যে ১০টি দেশ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২২, | ১৮:৫০:০৪ |

ফিফা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি পরিচিত ফুটবল দেশ। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি, ইউরোপের শক্তিশালী দল ডেনমার্ক, রবার্ট লেভানডোস্কির পোল্যান্ড কিংবা দীর্ঘদিন বিশ্বকাপের বাইরে থাকা হাঙ্গেরি—সবাই এখন ২০৩০ বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছে।

শতবর্ষী বিশ্বকাপের আসরকে সামনে রেখে দলগুলো এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা শুরু করেছে। বিশ্বমঞ্চে হারানো জায়গা ফিরে পেতে লড়াই করছে তারা।

ইতালি
সবচেয়ে বড় চমকের নাম ইতালি। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আজ্জুরিরা টানা তিনটি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ১৮টি বিশ্বকাপ খেলা একটি দেশের জন্য এটি নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা।

সর্বশেষ বাছাইপর্বে নরওয়ের পেছনে থেকে শেষ করার পর প্লে-অফে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেয় ইতালি। ২০১৪ সালের পর আর বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। ২০৩০ সালে ফেরার জন্য নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য তাদের।

ডেনমার্ক
১৯৯২ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন ডেনমার্কও এবার বিশ্বকাপের খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। বাছাইপর্বে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পর প্লে-অফে চেক প্রজাতন্ত্রের কাছে টাইব্রেকারে পরাজিত হয় তারা। তবে প্রতিভাবান তরুণদের নিয়ে নতুনভাবে দল গড়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার আশায় রয়েছে ড্যানিশরা।

পোল্যান্ড
রবার্ট লেভানডোস্কির নেতৃত্বাধীন পোল্যান্ড প্লে-অফ ফাইনালে সুইডেনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপের স্বপ্ন হারায়। লেভানডোস্কির ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে পোল্যান্ড এখন তরুণদের নিয়ে নতুন প্রজন্ম গড়ার পরিকল্পনা করছে।

হাঙ্গেরি
এক সময়ের ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল হাঙ্গেরি ১৯৩৮ ও ১৯৫৪ বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়েছিল। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর আর বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠতে পারেনি তারা। সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ভালো পারফরম্যান্স করা দলটি চার দশকের বিশ্বকাপ খরা কাটাতে ২০৩০ সালকে বড় লক্ষ্য হিসেবে দেখছে।

নাইজেরিয়া ও ক্যামেরুন
আফ্রিকার দুই পরিচিত শক্তি নাইজেরিয়া ও ক্যামেরুনও এবার বিশ্বকাপের বাইরে। তিনবারের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন নাইজেরিয়া প্লে-অফে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কাছে টাইব্রেকারে হেরে যায়। অন্যদিকে আফ্রিকার সর্বোচ্চ আটবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ক্যামেরুনও কঙ্গোর কাছে হেরে মূল পর্বের টিকিট পায়নি।

চিলি ও পেরু
দক্ষিণ আমেরিকা থেকে সাবেক শক্তিধর চিলি ও পেরু এবার হতাশ করেছে। বাছাইপর্বে ১৮ ম্যাচে মাত্র দুটি জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে শেষ করে চিলি।

পেরুও আক্রমণভাগের দুর্বলতার কারণে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি। ২০৩০ বিশ্বকাপের আগে দুই দলকেই বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে।

রোমানিয়া ও কোস্টারিকা
১৯৯৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট রোমানিয়া প্লে-অফে তুরস্কের কাছে হেরে বিদায় নেয়। অন্যদিকে ২০১৪ বিশ্বকাপে চমক দেখানো কোস্টারিকাও কনকাকাফ অঞ্চলের বাছাইপর্বে ব্যর্থ হয়েছে।

২০৩০ বিশ্বকাপের শতবর্ষী আসরকে সামনে রেখে এই দলগুলো এখন থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশ্ব ফুটবলের বড় মঞ্চে পুরোনো পরিচিত মুখগুলোর প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকরাও।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..