✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২১, | ২০:১৮:২৯ |স্পেনকে হারিয়ে নয়, স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ হাতছাড়ার পর মাঠেই তাণ্ডব চালালো আর্জেন্টিনা। এবার সেই বিশৃঙ্খলার জেরে বড়সড় শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
নিউ জার্সিতে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। ম্যাচ শেষে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির উদযাপনের সময় আর্জেন্টিনার রাইট-ব্যাক নাহুয়েল মোলিনা তাকে আঘাত করলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
সংঘাতের একপর্যায়ে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্রো পারাদেস স্পেনের এরিক গার্সিয়াকে জড়িয়ে ধরেন এবং তার গলায় হাত তোলেন। পরে কোচ লিওনেল স্কালোনি পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করলেও পারাদেসের আক্রমণ থামেনি। এরপর ২১ বছর বয়সী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার গাভিকে টেনে মাটিতে ফেলে দেন পারাদেস এবং তার দিকে বুট ছুড়ে মারেন। এই মারামারিতে পারাদেসের সঙ্গে যোগ দেন থিয়াগো আলমাডাও।
বিবিসি স্পোর্টসের তথ্যমতে, গোলযোগে জড়িত একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে অন্তত তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। ফিফার অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী, প্রতিপক্ষকে আঘাত, লাথি বা ঘুষি মারার মতো আচরণে কমপক্ষে তিন ম্যাচ বা নির্দিষ্ট মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
ইতোমধ্যেই ফিফার স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটি ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা শুরু করেছে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে ফিফা যদি কোনো নীতিশাস্ত্র বা শৃঙ্খলাবিষয়ক প্রসিকিউটর নিয়োগ করে, তবে ২০১৪ সালে লুইস সুয়ারেজের কামড় কাণ্ডের মতো বিশ্বব্যাপী কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে হতে পারে অভিযুক্তদের।
এর আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল জয়ের পর রাজনৈতিক বিতর্কিত ব্যানার প্রদর্শনের কারণেও তদন্তের আওতায় রয়েছে আর্জেন্টিনা দল।
সূত্র: এনডিটিভি