✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১২, | ১০:৫৪:৩৭ |কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালটি শুধু আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে ওঠার গল্প নয়। এটি ছিল লিওনেল মেসির ফুটবল ইতিহাসে আরেকটি সোনালি অধ্যায় যোগ করার রাত।
ম্যাচের ১০ মিনিটে তাঁর নিখুঁত কর্নার থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। সেই অ্যাসিস্টের মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
আধুনিক ফুটবল পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড এখন এককভাবে মেসির দখলে। সুইজারল্যান্ড ম্যাচের পর বিশ্বকাপে তাঁর অ্যাসিস্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টি। এতদিন এই তালিকার শীর্ষে ছিলেন আরেক আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা, যার অ্যাসিস্ট ছিল ৮টি।
শুধু অ্যাসিস্টেই নয়, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বেও নিজের আধিপত্য আরও শক্ত করেছেন মেসি। ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে তাঁর সরাসরি অবদান এখন ১৫টি, যা এই সময়ে যেকোনো ফুটবলারের চেয়ে বেশি। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা কিলিয়ান এমবাপের অবদান ১৪টি।
১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতাদের তালিকা
রেকর্ডের খাতা এখানেই শেষ নয়। ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে আরও একটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন মেসি। ফুটবল ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপ, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ সালে অন্তত একটি করে অ্যাসিস্ট করার নজির এখন শুধুই তাঁর।
ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসেও মেসির পায়ের জাদু, দূরদর্শিতা ও সৃজনশীলতা যে এতটুকুও ম্লান হয়নি, তারই আরেকটি প্রমাণ মিলল সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে এই রেকর্ড ও দুর্দান্ত ফর্ম নিঃসন্দেহে আর্জেন্টিনা শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাবে।