রংপুরে জমে উঠছে পশুর হাট

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৩, | ২১:২৫:৫৬ |

ঈদুল আজহার হাতেগোনা আর কয়েকদিন বাকি রয়েছে। গত সপ্তাহে পশুর হাটগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা কম থাকলেও শুক্রবার থেকে জমে উঠতে শুরু করেে পশুর হাটগুলো। নগরীর সবচেয়ে বড় গরুর হাট লালবাগে গিয়ে দেখা গেছে কোরবানির পশুর কেনাবেচা। ছোট সাইজের গরু ৭০  থেকে ৮০ হাজার টাকা। মাঝারি সাইজের গরু দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। বড় গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। তবে ছোট সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
  
রংপুর নগরীর লালবাগ, বুড়িরহাটসহ বেশ কয়েটি গরুর হাটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছোট সাইজের গরু ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকা, মাঝারি সাইজের গরু একলাখ ২০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বড় সাইজের গরু আড়াই থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় সাইজের গরুর চাহিদা খুবই কম। ছোট এবং মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।  
 
দেখা গেছে, হাটগুলোতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক, দরদাম আর পশু বাছাইয়ের দৃশ্যে পুরো এলাকা যেন কোরবানির উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নেয়। স্থানীয় ক্রেতাদের পাশাপাশি ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বেপারীরা পশু কিনতে এসেছেন। তবে পশুর ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে। ফলে অনেক ক্রেতা দরদাম করছে ঠিকই। তবে গরু কিনছেন না দাম কমার আশায়। পীরগাছার পাওটানা হাটে গরু বিক্রি করতে আসা খামারি আবু তালেব বলেন, একটা গরু এক বছর পালন করতে অনেক খরচ হয়। গরুর খাদ্য, খড়, ভুসি, খৈল ও ওষুধের দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। সেই তুলনায় আমরা ভালো দাম পাচ্ছি না। ওই হাটের ক্রেতা রিংকু মিয়া বলেন গরুর দাম বেশি। রবিবার তিনি লালবাগ হাটে যাবেন। 

রংপুর জেলায় মোট পশুর হাট রয়েছে ৭৪টি। এর মধ্যে স্থায়ী হাট ২৩টি এবং অস্থায়ী হাট ৫১টি। অন্যদিকে বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার রংপুর বিভাগে কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১৪ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭টি। চাহিদার বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে ২০ লাখ ২৩ হাজার ৬৭টি পশু। ফলে উদ্বৃত্ত রয়েছে ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৪১০টি গবাদিপশু।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..