হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য অন্যান্য দেশগুলোকে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনেরও আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদী বিঘ্ন হতে পারে- এই আশঙ্কায় ও তেলের দাম চার বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর প্রেক্ষাপটে, এই আহ্বান জানাল দেশটি।
রয়টার্সের দেখা স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি তারবার্তা অনুসারে এসব জানা গেছে।
ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধের দুই মাস পরেও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটি বন্ধ রয়েছে, যা বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহকে বাধাগ্রস্ত করছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকিও বেড়েছে।
চুক্তির জন্য শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় পৌঁছানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানিতে নৌ অবরোধ আরোপ করে। এই তেল রপ্তানি ইরানের অর্থনৈতিক লাইফলাইন। বলছে প্রতিবেদন।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পাঠানো তারবার্তায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দেশগুলোকে একটি নতুন আন্তর্জাতিক জোটে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে, যা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে সক্ষম করবে।
তারবার্তায় দেখানো হয়েছে, ‘মেরিটাইম ফ্রিডম কনস্ট্রাক্ট’ নামে পরিচিত, প্রস্তাবিত জোটটি তথ্য আদান-প্রদান করবে, কূটনৈতিকভাবে সমন্বয় করবে এবং নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সহায়তা করবে।
ফ্রান্স, ব্রিটেন এবং অন্যান্য দেশ এই ধরনের একটি জোটে অবদান রাখার বিষয়ে আলোচনা করেছে, কিন্তু বলেছে যে তারা কেবল যুদ্ধবিরতির পরেই প্রণালীটি খুলতে সাহায্য করতে ইচ্ছুক।
অন্যদিকে, বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায়, ইরানকে আলোচনায় ফেরানোর আশায় দেশটির ওপর ধারাবাহিক নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে বৃহস্পতিবার একটি ব্রিফিং হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের।
এ জাতীয় আরো খবর..