✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৪, | ১১:০৬:৫২ |মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ তীব্র হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এশিয়া ও ইউরোপের জন্য সংরক্ষিত অস্ত্র সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে, যা অন্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি দুর্বল করে দিতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা।
নিউইয়র্ক টাইমস–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র আনুমানিক ১,১০০টি দীর্ঘ পাল্লার স্টেলথ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র মূলত চীনের মতো সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত ছিল।
প্রতিরক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ হিসাব ও কংগ্রেসের কর্মকর্তাদের তথ্যে জানা গেছে, ফুরিয়ে যাওয়া মজুদের মধ্যে রয়েছে এক হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক ও এটিএসিএএমএস ধরনের ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র।
চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্র এখন এশিয়া ও ইউরোপের সামরিক ঘাঁটি থেকে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে আনছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ওই অঞ্চলগুলোতে সম্ভাব্য হুমকির মুখে প্রস্তুতির ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল বর্তমানে ব্যয়বহুল ও উচ্চ-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। কিন্তু প্রতিরক্ষা শিল্প এত দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের এই ঘাটতি পূরণে সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। ফলে এই সংকট শুধু বর্তমান যুদ্ধ নয়, ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।