ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) তাদের চলমান 'অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪'-এর অংশ হিসেবে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারগুলোতে ৬৫তম দফায় ব্যাপক প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নিশ্চিত করেছে, এই অভিযানে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক মাল্টি-ওয়ারহেড সমৃদ্ধ নাসরুল্লাহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
ইসরায়েলি ভূখণ্ডের অন্যতম বৃহত্তম জ্বালানি অবকাঠামো হিসেবে পরিচিত মূলত আশদোদ এবং হাইফা তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। নতুন উদ্ভাবিত এই নাসরুল্লাহ ক্ষেপণাস্ত্রটি কদর সিরিজের উন্নত ও গাইডেড সংস্করণ।
অভিযানটি কেবল ইসরায়েলের অভ্যন্তরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে আঞ্চলিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো পর্যন্ত। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সৌদি আরবের আল-খারজ বিমানঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা ও আল-জাফরা ঘাঁটিতে কিয়াম, জুলফিকার এবং খাইবার শেকান ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘাঁটিগুলো মূলত মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর লজিস্টিক সাপোর্ট, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং রিফুয়েলিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের পাল্টা জবাব হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং শত্রুপক্ষের পূর্ণ পরাজয় না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: প্রেস টিভি
এ জাতীয় আরো খবর..