ইসরায়েল ও লেবাননের শিয়া গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর লেবাননে অন্তত ৩০ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
সংস্থাটির মুখপাত্র বাবর বলোচ জানান, এটি কেবল স্বল্পতম হিসাব। এ ছাড়া বহু মানুষ গাড়িতে বা সড়কের পাশে আশ্রয় নিয়েছে।
বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে লেবানন সরকার ইতোমধ্যেই ২১টি শরণার্থী শিবির খুলেছে। কিন্তু বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
দক্ষিণ লেবাননে কৃষিশ্রমিক হিসেবে কাজ করা সিরীয় নাগরিক আজ্জাম সুয়েরি বলেন, ‘পালানোর সময় সড়কে গাড়ি ও মানুষের অনেক ভিড় ছিল।
মাত্র ৩০ বা ৪০ কিলোমিটার যেতে আমাদের সময় লেগেছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। কিন্তু এর মধ্যেও পাশের কিছু বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলা হয়েছে।’
এর আগে ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে জানায়, রমজান মাসে সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার ৪০০ মানুষ লেবানন থেকে সিরিয়ায় প্রবেশ করেন। তবে গতকাল সোমবার (২ মার্চ) হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে এবং ইসরায়েল লেবাননে বোমাবর্ষণ করলে একদিনে মোট ১০ হাজার ৬২৯ জন সীমান্ত পার হন।
এদের অধিকাংশই সিরীয় নাগরিক।
ইউনিসেফ জানিয়েছে, সংঘর্ষের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭ শিশু নিহত এবং ৩৮ জন আহত হয়েছে। আবাসিক এলাকা, স্কুল ও অবকাঠামোতে হামলায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
এ জাতীয় আরো খবর..