✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

‘ভেবেছিলাম ভূমিকম্প, তারপরই শুনি প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-২৭, | ১৭:৩১:৫১ |
‘শুরুতে ভেবেছিলাম এটা ভূমিকম্প, কারণ কয়েক দিন আগে কাবুলে ভূমিকম্প হয়েছিল। তারপরই প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শুনি।’

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানের হামলার ভয়াবহতা সম্পর্কে এভাবেই বলছিলেন কাবুলের ৬ নম্বর জেলার দাশতি বারচি এলাকার একজন বাসিন্দা। ভোরে পাকিস্তানি বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু এলাকাগুলোর কাছেই অবস্থিত দাশতি বারচি।


নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বাসিন্দা জানান, হামলার সময় একটি বিস্ফোরণে তার বাড়ি প্রচণ্ডভাবে কেঁপে ওঠে।

‘দাশতি বারচির মানুষ বিস্ফোরণের পরপরই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে এবং পুরো রাত জেগে থাকে। এরপর আর কেউ ঘুমায়নি। সবাই ভয় পাচ্ছিল।’

তিনি আরও জানান, বিস্ফোরণের অল্প কিছুক্ষণ পর কাবুলের আকাশে যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে।

‘যখন আমরা মাথার ওপর জেট উড়তে দেখলাম, বুঝতে পারলাম এগুলো পাকিস্তানের সামরিক বিমান।’

তিনি বলেন, হামলার লক্ষ্যবস্তুহয়েছে যে এলাকা সেটি তার বাড়ি থেকে প্রায় চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে।

‘আমার স্ত্রী এবং বাবা-মা খুব ভয় পেয়েছিল। আমরা সবাই পুরো রাত জেগে ছিলাম’, বলেন ওই ব্যক্তি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ‘সরাসরি যুদ্ধ’ ঘোষণা দিয়ে দেশটির রাজধানী কাবুলের পাশাপাশি কান্দাহার ও পাকতিকা এলাকায় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। 

ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানে ‘গজব লিল হক’ অপারেশন চালাচ্ছে। হামলায় ২২৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত ও ৩১৪ জন আহত হয়েছেন।

কাবুলসহ বড় তিনটি শহরে তালেবানদের ৭৪টি ঘাঁটি ধ্বংস ও ১৮টি ঘাঁটি দখলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র।

এর আগে তালেবানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করে,  বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সীমান্তে তাদের হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হয়েছে এবং অনেককে আটক করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাত ১২টায় উপ-আমিরের নির্দেশে হামলা বন্ধ করা হয়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..