✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

ডাউন পেমেন্ট নীতি সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-২৩, | ১৫:৪৩:২৯ |
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এখন থেকে নির্ধারিত ডাউন পেমেন্টের অর্ধেক পরিশোধ করেই খেলাপি ঋণ নবায়ন করা যাবে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তার ব্যবসা ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ পুনর্গঠনে বড় ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে দেশের সব তফশিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে। 

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম খেলাপি ঋণ নবায়নে বিশেষ ছাড় দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি খেলাপি ঋণ নবায়ন নীতিমালা আরও সহজ করা হয়েছে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়, বিভিন্ন তফশিলি ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতা স্টেকহোল্ডারদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঋণ পুনঃতফশিল ও এক্সিট সুবিধা সহজ করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিআরপিডি সার্কুলারের আওতায় ঋণ পুনঃতফশিল বা এক্সিট সুবিধার ক্ষেত্রে গ্রাহকের আবেদনের ভিত্তিতে নির্ধারিত ডাউন পেমেন্টের ৫০ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা যাবে। বাকি ৫০ শতাংশ ঋণ নবায়ন সুবিধা কার্যকরের তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে আদায়ের সুযোগ থাকবে।

এতে বলা হয়, যেসব ক্ষেত্রে এরই মধ্যে নীতি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যৌক্তিক কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান পূর্ব নির্ধারিত সময়সীমার অতিরিক্ত আরও তিন মাস সময় বৃদ্ধি করতে পারবে। তিন মাস পর গ্রাহকে এই সুবিধা দেওয়া যাবে।

চিঠিতে বলা হয়, সুদ মওকুফ সংক্রান্ত কোনো বিষয় বিবেচনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..