মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে মার্কো রুবিওর বক্তব্যে মূলত ইউরোপের উদ্বেগকে শান্ত করার চেষ্টা করা হলেও, “ডোনাল্ড ট্রাম্প তিন বছরের মধ্যে চলে যাবে” বলে শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা ইউরোপকে আশ্বস্ত করার চেষ্টায় ছিলেন।
সম্মেলনে মার্কো রুবিও মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন, যা ২০২০ সালের পর ট্রাম্পের নেতৃত্বে কিছুটা ঝাঁকুনি পেয়েছিল। তবে রুবিওর বক্তব্যই একমাত্র মার্কিন কণ্ঠ ছিল না। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজমো এবং সিনেটররা ইউরোপের নেতাদেরকে মনে করিয়ে দেন যে ট্রাম্পের রাজনীতি অস্থায়ী, এবং মার্কিন সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদে বন্ধুত্বপূর্ণ থাকবে।
নিউ ইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কোর্তেজও সম্মেলনের এক প্রধান আকর্ষণ ছিলেন। তিনি সামাজিক অসাম্য ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকে সংজ্ঞায়িত করে বলেন, পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলোকে কঠোরভাবে কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিকল্প হিসেবে নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করতে হবে।
অন্যান্য ডেমোক্র্যাটরা ইউরোপকে আশ্বস্ত করতে বলেন যে, মার্কিন নীতি একমাত্র ট্রাম্পের উপর নির্ভরশীল নয়। ভিন্ন রাজনৈতিক উপস্থাপনায় তারা সুর চড়ান যে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও একটি নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী অংশীদার। সিনেটর মার্ক ওয়ানার ও মার্কেলি ও এলিসা স্লটকিন দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক নীতির প্রতিরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ ব্যক্ত করেন।
মিউনিখ সম্মেলন কেবল বিদেশ নীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সামাজিক দ্বন্দ্বও প্রতিফলিত করল। তবে রুবিও ও ডেমোক্র্যাটরা একসঙ্গে ইউরোপকে বার্তা দিলেন, যে সম্পর্কের ভিত্তি এখনও দৃঢ় এবং দীর্ঘমেয়াদে বন্ধুত্বপূর্ণ থাকবে।
সূত্র : বিবিসি