✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১১, | ২০:২২:১১ |ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিয়েছে মরক্কো। তবে এই হতাশার মাঝেও ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে আটলাস লায়ন্স। কারণ ২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক দেশগুলোর একটি মরক্কো, আর সেই আসরকে ঘিরেই শুরু হচ্ছে তাদের নতুন পরিকল্পনা।
কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠা মরক্কো এবার সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে পারেনি। তবু ৪৮ দলের বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েছে তারা। টুর্নামেন্টে নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করার পাশাপাশি ব্রাজিলের বিপক্ষেও দারুণ লড়াই করেছে মরক্কো।
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র তিন মাস আগে কোচ পরিবর্তন হলেও দায়িত্ব নিয়ে দারুণভাবে দলকে সামলেছেন মোহাম্মদ ওহাবি। বয়সভিত্তিক দলে সফল এই কোচের অধীনেই ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল মরক্কো।
ফ্রান্সের কাছে হারের পর ওহাবি বলেন, ‘আমাদের দলে অনেক তরুণ ফুটবলার আছে, যারা আরও উন্নতি করবে। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়েই আমরা ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে চাই।’
তবে ২০৩০ বিশ্বকাপের আগে মরক্কোর সামনে রয়েছে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের দুটি আসর। সেই পরীক্ষায় সফল হওয়াকেই আপাতত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন ওহাবি।
তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমাদের আফ্রিকা কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হবে এবং শিরোপা জিততে হবে। এমন একটি দল গড়ে তুলতে হবে, যারা ভবিষ্যতে মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে পারবে এবং নিয়মিত শিরোপা জিতবে।’
আগামী সেপ্টেম্বরে আফ্রিকা কাপের বাছাইপর্বে গ্যাবন, লেসোথো ও নাইজারের বিপক্ষে খেলবে মরক্কো। তবে ওহাবির মতে, ২০৩০ বিশ্বকাপে বড় কিছু করতে হলে আফ্রিকার বাইরের শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আফ্রিকা কাপ আর বিশ্বকাপ এক নয়। বিশ্বকাপে ভিন্ন ধরনের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হয়। সেই ধরনের দলের বিপক্ষে নিয়মিত না খেললে বিশ্বকাপে খুব দ্রুতই ছিটকে পড়ার ঝুঁকি থাকে।’