কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়ার মামলায় আরও দুজন গ্রেপ্তার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৮, | ১১:০৭:৪২ |
নরসিংদীতে একটি কুকুরের গলায় ইট বেঁধে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড ও নাগরিয়াকান্দি এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেন তিনজন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শাহিনারা বেগম (৫২) ও রমজান আলী (২২)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনার সহযোগী। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মূল অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাগরিয়াকান্দি সেতুর ওপর একটি কুকুরের গলায় রশি বেঁধে অপর প্রান্তে ইট লাগিয়ে মেঘনা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

নরসিংদী মডেল থানার উপপরিদর্শক নোমান সাদেকিন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪২৯/৩৪ ধারায় মামলা করেন। মামলায় মোহাম্মদ আলী ও রমজান মিয়ার নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আলী জানান, কুকুরটি এলাকায় উপদ্রব করত এবং মানুষকে কামড়ানোর চেষ্টা করত। এ কারণে সহযোগীদের নিয়ে কুকুরটিকে সেতুর ওপর নিয়ে গিয়ে গলায় রশি ও ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেন। গলায় ইট বাঁধা থাকায় কুকুরটি তীরে উঠতে না পেরে পানিতে মারা যায়।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহিনারা বেগম ও রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শাহিনারা বেগমের অনুরোধেই কুকুরটিকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..