বোস্টনে এমবাপ্পে ও হালান্ডের দ্বৈরথ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৬, | ১০:০৭:১৭ |
গোল করার লড়াইটা বেশ জমেছে সময়ের সেরা দুই স্ট্রাইকারের মধ্যে। বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড ৪টি করে গোল করেছেন। ৫ গোল নিয়ে এ দুজনের উপরে আছেন লিওনেল মেসি। সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার লড়াইয়ে থাকা এ ত্রয়ীর মধ্যে আজ বোস্টনে এমবাপ্পের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন হালান্ড। এ দুই তারকার পারফরম্যান্সের ওপরই নির্ভর করছে ফ্রান্স বনাম নরওয়ের ম্যাচের ভাগ্য। আর এ ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ‘আই’ গ্রুপে সেরা হচ্ছে কে।

এবারের আসরের হটফেভারিট ফ্রান্সের এটাই আসল পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। দুই দলই প্রথম দুই ম্যাচ জিতেছে। গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকায় ফ্রান্স গ্রুপের শীর্ষে। আজ যে দল জিতবে, তারাই হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। ড্র হলে ফরাসিরা হবে গ্রুপ সেরা। তবে কাগজ-কলমে ফ্রান্সই এগিয়ে। এর সবচেয়ে বড় কারণ কিলিয়ান এমবাপ্পের ফর্ম। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের এ ফরোয়ার্ড। পরের ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন তিনি। ফরাসিরা এগিয়ে থাকার আরও একটি কারণ হলো দারুণ খেলছে এমবাপ্পে-ওলিসে জুটি। ইরাকের বিপক্ষে গোল করে ছন্দে ফিরেছেন ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলেও। এমবাপ্পে, ওলিসে, দেম্বেলে– এই ত্রয়ী জ্বলে উঠলে বিশ্বের কোনো রক্ষণের ক্ষমতা নেই ফ্রান্সকে আটকে রাখার। ২০১৮ চ্যাম্পিয়ন, ২০২২ রানার্সআপ ফ্রান্স এই আক্রমণভাগের জন্যই সমীহ পাচ্ছে।

অবশ্য নরওয়েও দুরন্ত ছন্দে আছে। হালান্ডের জোড়া গোলে ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে তারা। পরের ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের জয়েও জোড়া গোল করেছেন ম্যানসিটির এই স্ট্রাইকার। হালান্ডের সঙ্গে অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডও দারুণ খেলছেন। এই দুজনের জন্যই নরওয়েকে এবারের আসরের ‘ডার্ক হর্স’ তকমা দিচ্ছেন বোদ্ধারা।

তবে আজ দলের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার জুলিয়ান রেয়ারসনকে পাচ্ছে না নরওয়ে। সেনেগালের বিপক্ষে ১৩ মিনিট খেলার পরই চোট পেয়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়েন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের এ ডিফেন্ডার। মার্কাস পেডারসেন তাঁর অভাব পূরণ করতে পারবেন কিনা, সেটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় চিন্তা।

ফ্রান্স দলে ইনজুরি নেই। তবে আক্রমণভাগে পিএসজির দুই তরুণ ব্রাডি বারকোলা ও দেজিরে– দুয়ের মধ্যে কে শুরুর একাদশে নামবেন, সেটা নিয়ে দ্বিধায় আছে ফ্রান্স টিম ম্যানেজমেন্ট।

একইভাবে আগের ম্যাচে ভালো খেলে মিডফিল্ডে মানু কোনে ও লেফট-ব্যাকে লুকাস দিনিয়ে ম্যানেজমেন্টকে দ্বিধায় ফেলে দিয়েছেন। অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি ও থিও হার্নান্দেজের জায়গা নিয়ে নিতে পারেন এ দুজন। ফরাসিরা দ্বিধায় ভুগত না, যদি হেড কোচ দিদিয়ের দেশম থাকতেন। মায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে জরুরি ভিত্তিতে ফ্রান্স ফিরে গেছেন কোচ। সহকারী কোচ গায় স্টিফেন আজ দায়িত্ব সামলাবেন।

মুখোমুখি লড়াইয়ে দুই দল প্রায় সমানে সমান। এখন পর্যন্ত ফ্রান্স ১৬ বার নরওয়ের মুখোমুখি হয়েছে। যেখানে ফ্রান্সের জয় ৭টি ও নরওয়ের ৫টি। ৪টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সর্বশেষ দুই লড়াইয়ে উভয় দল একটি করে জয় পেয়েছে। ২০১০ সালে ২-১ গোলে নরওয়ে এবং ২০১৪ সালে ৪-০ গোলে ফ্রান্স জিতেছিল।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..