✕

সর্বশেষ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩ নম্বরে ওঠার হাতছানি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত, থাকছে যে সুবিধা হামলার ভয়ে সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলন হাইব্রিড মডেলে করার ভাবনা ক্যান্সারসহ ৭ রোগে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন করে আবেদনের নির্দেশ শিকারিদের ফাঁদে হুমকিতে প্রকৃতির বন্ধু বক সৌদির শোধনাগারে হুতির হামলা, অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ১০৭ ডলার সৌদি আরবের নিরাপত্তায় অবিচল সমর্থনের অঙ্গীকার পাকিস্তানের বেতনের বাইরে ইনফান্তিনো পেলেন ২১ কোটি টাকা, প্রকাশ করেনি ফিফা প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব

সব মামলায় হাইকোর্টে খালাস তারেক রহমান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৫-২৮, | ১৩:১৫:৩৫ |

দুর্নীতির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার(২৮ মে) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে সব মামলায় দণ্ড ও সাজামুক্ত হলেন তারেক রহমান।

গত সোমবার শুনানি শেষে আপিলের রায় দিতে ২৮ মে দিন ধার্য করেছিলেন উচ্চ আদালত। আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। আপিলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, কায়সার কামাল ও জাকির হোসেন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল করিম।

আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, যে সম্পত্তিগুলো তারেক রহমানের নামে দেখানো হয়েছে, একটাও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত না, অসাধু না। একটা টাকা বা একটা সম্পত্তিও বাংলাদেশের বাইরে না। বাংলাদেশের বাইরে এ পরিবারের কোনো ঠিকানা নেই।

তিনি আরও বলেন, সেনানিবাসে মইনুল রোডের বাড়িটি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে দেওয়া হয়েছিল। সেটাও এ মামলায় দুদক বলছে, এটা তারেক রহমানের অর্জিত সম্পদ এবং এটা অবৈধ সম্পদ। অথচ এটা সরকার নিয়মকানুন মেনে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আরেকটা সম্পত্তি আছে গুলশানে। সেটাও রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া। অথচ মামলায় তারেক রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছিল। বিচারের নামে এ রকম প্রহসন আমি আমার ওকালতি জীবনে দেখিনি।

গত ১৪ মে ডা. জুবাইদা রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জরিমানা স্থগিত করে ওইদিন আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে জামিন দেওয়া হয়।

গত ১৩ মে আপিল দায়েরে ৫৮৭ দিনের বিলম্ব মার্জনা করেন হাইকোর্ট। বিলম্ব মার্জনার পর ডা. জুবাইদা রহমান সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..