✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৪, | ১৪:১৭:৩০ |ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৪ সালে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১৭ লাখ ২০ হাজার ডলার পেয়েছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২১ কোটি টাকার বেশি। তবে এই অর্থ পাওয়ার তথ্য ফিফার বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বিভাগের (আইআরএস) নথি ও ফিফার নথির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন।
মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিপূরণের এই অর্থ প্রকাশ না করার বিষয়টি ফিফার নিজস্ব সংবিধি লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে।
আইআরএসের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইনফান্তিনোকে এই অর্থ দেয় এফডব্লিউসি২০২৬। ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন ও পরিচালনার জন্য ফিফা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করে।
অতিরিক্ত এই অর্থের বাইরে ২০২৪ সালে ফিফা থেকে বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা মিলিয়ে প্রায় ৪৯ লাখ ডলার পেয়েছেন ইনফান্তিনো। তবে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া অতিরিক্ত অর্থ ফিফার ওই বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি বলে জানিয়েছে ইএসপিএন।
ফিফার সংবিধিতে বলা আছে, সংস্থাটির সভাপতি, কাউন্সিলের সদস্য ও মহাসচিবের ব্যক্তিগত পারিশ্রমিক জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
তবে ইএসপিএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ফিফা।
সংস্থাটির দাবি, ইনফান্তিনোকে দ্বিতীয় কোনো বেতন দেওয়া হয় না। তাঁর বার্ষিক পারিশ্রমিক ও অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ করে স্বাধীন ক্ষতিপূরণবিষয়ক উপকমিটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতা কিংবা ফিফার সংবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ফিফার হিসাব স্বাধীনভাবে নিরীক্ষা করা হয় এবং সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের করবিধি মেনেই সব তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিশ্বকাপ আয়োজনের সাফল্যের কথা তুলে ধরে ফিফা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের কাউন্সিল সভায় ফুটবলের আরও উন্নয়নে সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।
২০১৬ সাল থেকে ফিফার সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন ইনফান্তিনো। তবে তাঁর মেয়াদে বিতর্কের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। চলতি বছর বিশ্বকাপের ২০ শতাংশ অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির একটি পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। পরে সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।