সর্বশেষ :
শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: শিক্ষামন্ত্রী সাশ্রয়ী দামে আসছে ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার স্পোর্ট যুদ্ধের মধ্যেও ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইরানিদের সংহতি, জমায়েতে বিস্ফোরণ নিখোঁজ যুবকের মরদেহ মিলল প্রতিবেশীর সেপটিক ট্যাংকে সাভারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজ পাহারা দিতে ‘প্রস্তুত নয়’ মার্কিন নৌবাহিনী রুশ তেল ছাড়া বিশ্ব জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল থাকা অসম্ভব: রাশিয়া ইরানে ক্ষমতাসীনদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ : ট্রাম্প প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে হান্ড্রেডে মুস্তাফিজ, বেথেল-ব্রুকসসহ সতীর্থ যারা ‘ইরানের নারী ফুটবলাররা সত্যিকারের বীর’

পাকিস্তানের গোপন অস্ত্র নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভারত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৫-০৫, | ০৭:৪১:১১ |

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলা ঘিরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে উপমহাদেশে। রাজনৈতিক মহল থেকে প্রতিরক্ষা দপ্তর- সবখানেই চলছে জল্পনা-কল্পনা।

এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে নতুন এক দুশ্চিন্তার জন্ম দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আধুনিক অস্ত্র। বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর যে অস্ত্রটি ভারতীয়দের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে, তা হলো- এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম, সংক্ষেপে অ্যাওয়াক্স। এটি মূলত একটি উড়ন্ত রাডার, যা বিমানবাহিনীকে দেয় অনেকগুণ বাড়তি সক্ষমতা।

সম্প্রতি পাকিস্তানের ভয়ংকর অস্ত্র নিয়ে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ও দ্য ডিপলোম্যাট তাদের প্রকাশিত পৃথক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামাবাদের হাতে বর্তমানে অ্যাওয়াক্স সিস্টেমসহ ১১টি বিমান রয়েছে। এসব বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় টহল দেয়ার সময় একটি মোবাইল কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে। এতে বসানো রয়েছে সুইডেন-নির্মিত অত্যাধুনিক অ্যারে রাডার। ফলে মাঝ-আকাশে যখন ভারতীয় জেট বিমান ঢোকে, তখন সেগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করে ফেলতে পারে পাকিস্তান।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অ্যাওয়াক্সগুলোই এখন ইসলামাবাদের ‘চোখ’ ও ‘কান’। এগুলোর সাহায্যে সীমান্তে পাকিস্তানের নজরদারি ক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে, ভারতীয় জেট বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র সীমান্ত পেরোলেই সেগুলোর গতিপথ ট্র্যাক করতে পারছে পাকিস্তানি বাহিনী।

ভারতীয় বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, অ্যাওয়াক্স ব্যবস্থার কারণেই বর্তমান সময়ে পাকিস্তান কিছুটা কৌশলগত সুবিধায় রয়েছে। কারণ, অ্যাওয়াক্স না ধ্বংস করা পর্যন্ত পাকিস্তানের আকাশসীমায় অভিযান চালানো ভারতীয় জেট বিমানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

তারা আরও বলছেন, ভারতীয় যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রকেও চিহ্নিত করতে সক্ষম এই উড়ন্ত রাডারগুলো। এতে পাকিস্তানের হাতে থাকা বিভিন্ন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে সক্রিয় করা সহজ হয়, ফলে মাঝ-আকাশেই সেই ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার সুযোগ তৈরি হয়।

এই কারণেই প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, পেহেলগাম হামলার প্রতিশোধ হিসেবে যে কোনো অভিযানের আগে ভারতীয় বাহিনীর প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত পাকিস্তানের অ্যাওয়াক্স বহরকে অকার্যকর করে দেওয়া। না হলে পাল্টা অভিযানে কৌশলগত সুবিধা অর্জন করা কঠিন হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..