✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, লাশের কিছু অংশ খায় কুকুর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৮, | ২১:৪৫:৪৪ |

ভারতের দিল্লিতে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ছুরিকাঘাতে হত্যা করে একটি খোলা মাঠে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক দিন পর ওই কিশোরীর পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরই মধ্যে মরদেহের কিছু অংশ কুকুরে খেয়ে ফেলে। এ ঘটনায় তিন কিশোরসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম দিল্লির স্বরূপ নগর এলাকার কুশাক রোডে জয়পাল রানার মাঠের কাছে ১৩ সেপ্টেম্বর কিশোরীর মরদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠে কুকুরকে একটি মরদেহের ওপর আক্রমণ করতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, মরদেহটি এতটাই পচে ও বিকৃত হয়ে গেছে যে প্রথমে এর লিঙ্গও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল এবং মরদেহের কিছু অংশ কুকুরে খেয়ে ফেলেছিল।

পুলিশের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, কিশোরীর মুখ পুরোপুরি বিকৃত ছিল এবং শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে চিকিৎসা পরীক্ষায় তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। পুলিশ ধারণা করছে, হত্যাকাণ্ডটি ১১ সেপ্টেম্বর ঘটতে পারে।

তদন্তে জানা যায়, কিশোরী অভিযুক্তদের পরিচিত ছিল। ঘটনার দিন তিনি তাদের সঙ্গে একটি টেম্পোতে ছিলেন। পুলিশের দাবি, টেম্পোর ভেতরে তারা একসঙ্গে মদ পান করে। এরপর কিশোরীকে যৌন নির্যাতন ও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে মরদেহটি কুশাক রোডের একটি মাঠে ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, কিশোরী নিখোঁজ—এমন কোনো অভিযোগ তার পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়নি। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানান, তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েক দিন পর ফিরে আসতেন।

ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী না থাকায় এবং শুরুতে অভিযুক্তদের পরিচয় জানা না থাকায় পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার ৫০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। এতে ঘটনার সম্ভাব্য সময়ে ঘটনাস্থলের কাছে একটি টেম্পো দেখা যায়। অন্ধকারের কারণে সেটির নম্বর স্পষ্ট না হওয়ায় বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ধরে টেম্পোটির গতিপথ অনুসরণ করা হয়।

এরপর ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী রাতে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন টেম্পোটির সন্ধান পায় পুলিশ। চালককে শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদের পর তদন্তে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজন কিশোর।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তের নাম শিবম ওরফে সুদামা ওরফে চুচু। তিনি খাড্ডা কলোনির বাসিন্দা। বাকি তিনজনের বয়স ১৬ ও ১৭ বছর। অভিযুক্তদের কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে বলে দাবি করা দুটি ছুরি, তাদের পরা পোশাক এবং টেম্পোটি উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) ও পকসো আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনাক্রম, প্রত্যেকের ভূমিকা এবং ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত প্রমাণ যাচাই করতে তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..