পে-স্কেল বাস্তবায়নে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৩, | ২০:০৭:৪০ |

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে বাজারে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি বা মূল্যস্ফীতির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, গত ১১ বছর সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয় করা হয়নি। মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় দীর্ঘদিন পর বেতন সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। তবে নতুন পে-স্কেল একবারে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় বেতন সমন্বয় না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের আয় ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। তাই পে-স্কেল সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ফলে একবারে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে প্রবাহিত হবে না। ফলে পে-স্কেলকে কেন্দ্র করে পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বেতন ছাড়াও বাজারে পণ্যের সরবরাহ, আমদানি পরিস্থিতি, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের দামের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তিনি।

ভোজ্যতেলের দাম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল প্রায় পুরোপুরিই আমদানি-নির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারের এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজভাড়া, খালাস, বিমা, রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহন ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ যোগ করে স্থানীয় দাম নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের লোকসানের ঝুঁকিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে টিসিবির মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ওএমএস কার্যক্রম এবং আমদানির এলসি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নজরদারি করা হচ্ছে।

এদিকে চামড়া শিল্পে সংস্কার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সাভারে নতুন বিশ্বমানের সিইটিপি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বড় ট্যানারিতে নিজস্ব ইটিপি এবং ছোট ট্যানারিকে কেন্দ্রীয় সিইটিপির আওতায় এনে শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা হবে। এলডব্লিউজি সনদ অর্জন এবং উচ্চমূল্যের চামড়াজাত পণ্য রফতানির মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ লেদার’ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..