✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

৭৫০ এরও বেশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পরিকল্পনায় ইন্দোনেশিয়া

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৫, | ১৩:৫৭:৩১ |

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৭৫০টির বেশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। পাশাপাশি অলাভজনক ও অদক্ষ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের বিষয়টিও বিবেচনা করছে দেশটি।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পার্লামেন্টে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রাবোও এসব কথা বলেন। প্রাবোও বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় অনেক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলো কার্যত কোনো উৎপাদনশীল কাজ করছে না। এসব প্রতিষ্ঠান নিয়মিত লোকসান করলেও লাভ দেখায় এবং অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিমভাবে লাভের হিসাব তৈরি করা হয়।

তিনি জানান, গত বছর রাষ্ট্রীয় সম্পদ পরিচালনার জন্য ইন্দোনেশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ‘দানান্তারা’ প্রতিষ্ঠার পর জানা যায়, দেশে মোট ১ হাজার ৭৪টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

প্রাবোও বলেন, তিনি ধারণা করেছিলেন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০০ থেকে ৪০০টির মধ্যে হবে। কিন্তু পরে দেখা যায়, সংখ্যা ১ হাজার ৭৪টি। এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি কোনো দায়িত্ববোধ ছাড়াই পরিচালিত হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট জানান, এরই মধ্যে ২৯০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ ৩০০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তিনি বলেন, ৭৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শুধু সেসব প্রতিষ্ঠান রাখা হবে, যেগুলো উৎপাদনশীল এবং জনগণের জন্য অতিরিক্ত মূল্য তৈরি করে।

এই উদ্যোগকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ, এমনকি সম্ভবত সবচেয়ে বড় করপোরেট পুনর্গঠন হিসেবে উল্লেখ করেন প্রাবোও।

২.৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় সাশ্রয়

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের উদ্যোগে এরই মধ্যে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ২.৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। এই সাশ্রয়ের মধ্যে রয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বেতন, ভবন ও গাড়ি ভাড়া এবং ব্যবসায়িক ভ্রমণের খরচ। চলতি বছর সরকারের লক্ষ্য ৭০ ট্রিলিয়ন রুপিয়ার বেশি ব্যয় সাশ্রয় করা।

তথ্য সূত্র : ফ্রান্স২৪।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..