দিনে ১০ হাজার কদম হাঁটা খুব জরুরি, এমনটাই বলেন বিশেষজ্ঞরা। সবার পক্ষে খোলা মাঠে হাঁটতে যাওয়া সম্ভব হয় না। কারণ ঠাসবুনটের শহরে নিরাপদে হাঁটার মতো জায়গা নেই। আবার অনেকের হাতে বাইরে গিয়ে হাঁটার মতো সময়ও থাকে। তাই ভরসা করেন ট্রেডমিলে। কিন্তু ট্রেডমিলে হাঁটা কি সবার জন্য নিরাপদ?
ভারতের মেডিসিনের চিকিৎসক এসএ মল্লিকের মতে, ট্রেডমিলে হাঁটার বেশ কিছু সুবিধা আছে, তবে সবার জন্য ট্রেডমিল নয়। কিছু রোগে আক্রান্ত হলে ট্রেডমিলে হাঁটা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।
ট্রেডমিলে হাঁটলে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?
• স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা কমাতে ট্রেডমিলের সেশন সাহায্য করে।
• রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
• সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে কাজে দেয়।
• হার্টরেট নিয়ন্ত্রণ করে, বিপাকক্রিয়া বাড়ে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
• ক্যালোরি ঝরে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
• খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে।
• হাড় ও পেশি শক্তিশালী হয়। শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে থাকে।
• এ ক্ষেত্রে হাঁটতে গেলে আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল হতে হয় না। যখন-তখন নিজের সুবিধা অনুযায়ী হাঁটা যায়।
কোন কোন অসুখ থাকলে ট্রেডমিলে হাঁটার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে?
• গুরুতর হৃদরোগ থাকলে।
• রক্তচাপ বেশি থাকলে।
• কোমর বা হাঁটুর ব্যথায় ভুগলে বা অস্টিয়োপোরোসিস থাকলে।
• ভার্টিগো, পারকিনসন্স ডিজি়জ় বা অন্য কোনও ভারসাম্যজনিত অসুখ থাকলে।
• সম্প্রতি কোনও অস্ত্রোপচার হলে।
ট্রেডমিলে হাঁটার নিয়ম
• হাঁটার আগে ওয়ার্মআপ জরুরি।
• শুরুতে ধীর গতিতে হাঁটতে হবে।
• হাঁটার জন্য আরামদায়ক জুতো ব্যবহার করতে হবে।
• শরীর সোজা রেখে হাঁটতে হবে।
• হাঁটার সময় মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।
• হার্ট বা কিডনির রোগ না থাকলে পর্যাপ্ত মাত্রায় জল খেতে হবে।
• কোনোরকম শারীরিক অস্বস্তি হলেই ট্রেডমিল থেকে নেমে পড়তে হবে।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
এ জাতীয় আরো খবর..