সর্বশেষ :
ইরান কেন চীন, ভারতে আটকা সম্পদ উদ্ধার করতে পারছে না? অভিজ্ঞতা ছাড়াই ড্রোন অপারেটর নিয়োগ দিচ্ছে রাশিয়া, হেডহান্টারে বিজ্ঞাপন বিশ্বকাপের ফাইনালের জন্য পেছাল ফাইনাল পরীক্ষা কেপ ভার্দের সমর্থনে 'পর্তু-জিল' জোট: মেসিদের বিদায় দেখতে আজ এককাট্টা যারা পিছিয়ে যেতে পারে ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচ জাপানে আড়াই হাজারেরও বেশি খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে ‘বিশ্বের দ্রুততম’ সুপার এসইউভি উন্মোচন ল্যাম্বরগিনির বিশ্বকাপে নজর কাড়ছে মিশর, বিতর্কে কোচ হোসাম হাসান আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে লড়াইয়ে জয়ের পাল্লা কার দিকে? জানাল সুপার কম্পিউটার আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা কেপ ভার্দের

মুসলিমবান্ধব পর্যটনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ইন্দোনেশিয়ার উদ্যোগ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০৩, | ১২:৩১:৫২ |
২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মুসলিম ভ্রমণবাজারের আকার ২৬ কোটি ২০ লাখ ভ্রমণে পৌঁছাবে বলে ধারণা করছে ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রণালয়। এই সম্ভাবনাময় বাজারে আরও বড় অংশীদার হতে দেশটি জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল রূপান্তর ও পর্যটন উদ্ভাবনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাসরুরোহ বলেন, বিশ্বজুড়ে মুসলিম পর্যটকের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এটি ইন্দোনেশিয়ার জন্য মুসলিমবান্ধব পর্যটনব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার একটি বড় সুযোগ।

গত বুধবার (১ জুলাই) জাকার্তায় অনুষ্ঠিত ‘ইসলামিক ফাইন্যান্স ডায়ালগে’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মুসলিম পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে। তারা অন্যান্য পর্যটকদের মতোই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা চান। তবে একটি বিষয় তাদের জন্য অপরিহার্য, এমন সব সুযোগ-সুবিধা, যার মাধ্যমে তারা সহজেই তাদের ধর্মীয় বিধান পালন করতে পারেন।’

তিনি আরো বলেন, মুসলিমবান্ধব পর্যটন কেবল হালাল খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্যে রয়েছে উপযুক্ত পরিবহনব্যবস্থা, আবাসন, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এবং নামাজ আদায়ের সুবিধাসহ এমন সব ব্যবস্থা, যা ভ্রমণের পুরো সময়জুড়ে মুসলিম পর্যটকদের ধর্মীয় অনুশীলন নির্বিঘ্ন রাখে।

মাসরুরোহের মতে, সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ধরণেও পরিবর্তন এসেছে। এশিয়ায় আগত ৬১ কোটি ৬০ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটকের মধ্যে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ, অর্থাৎ ২০ শতাংশেরও বেশি মুসলিম পর্যটক। ফলে এ অঞ্চল মুসলিম পর্যটনবাজারের জন্য ক্রমেই আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ‘গ্লোবাল মুসলিম ট্রাভেল ইনডেক্স (GMTI)’-এ ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। সাধারণত প্রবেশগম্যতা, যোগাযোগ, পরিবেশ এবং সেবার মান-এসব সূচকের ভিত্তিতে এই মূল্যায়ন করা হয়। এই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..