সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড স্পষ্ট করেছে: অর্থমন্ত্রী রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ ধর্ষণ মামলায় আদালতে আপিল আশরাফ হাকিমির বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি ঘানা-ক্রোয়েশিয়া, হারলেই বিদায় নিশ্চিত মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের পিনোকে হারানোর শঙ্কায় স্পেন ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার ‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি

পাঁচ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ তৈরি করবে দক্ষিণ কোরিয়া

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৭, | ১৪:৪১:১১ |

উত্তর কোরিয়ার হুমকি মোকাবেলায় দ্রুত ড্রোন ও ড্রোন-বিধ্বংসী ক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এর অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পাঁচ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ গড়ে তুলবে দেশটি।

সম্মুখসারির যুদ্ধক্ষেত্রের সামরিক ইউনিটগুলোতেও দেশীয়ভাবে তৈরি শতশহস্র মানববিহীন ড্রোন মোতায়েন করা হবে। শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন গিউ-বাক জানান, ২০২৯ সালের মধ্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও মেরিন বাহিনীর জন্য ১ লাখ ১০ হাজার ড্রোন উৎপাদনের পরিকল্পনা ছিল। তবে পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংখ্যা কমিয়ে প্রায় ৬০ হাজারে নামিয়ে আনে। এর মধ্যে প্রায় ১১ হাজার ড্রোন ২০২৬ সালেই চালু করা হবে।

মন্ত্রণালয় জানায়, এসব ড্রোন সব বাহিনীকেই দেওয়া হবে, যাতে প্রতিটি সেনার জন্য ড্রোন একটি নিয়মিত হাতিয়ারে পরিণত হয়। সেনা, নৌ, বিমান ও মেরিন বাহিনীর পাঁচ লাখ সেনাসদস্যকে ‘ড্রোন যোদ্ধা’ হিসাবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন গিউ-বাক বলেন, “ড্রোন আর সীমিতসংখ্যক ইউনিটের ব্যবহারের জন্য রাখা উচিত না, বরং এটি হবে সর্বজনীন যুদ্ধাস্ত্র।” তিনি আরও বলেন, ড্রোনকে ‘দ্বিতীয় ব্যক্তিগত অস্ত্র’ হিসেবে সেনাদের ব্যবহার করা উচিত।

নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ড্রোন তৈরিতে চীনা যন্ত্রাংশের পরিবর্তে শতভাগ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত উপাদান ব্যবহার করবে সিউল।দক্ষিণ কোরিয়ার এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল যখন দুই কোরিয়াই ড্রোন সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন গিউ-বাক বলেন, ইউক্রেইন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে যে ড্রোন এখন লড়াইয়ের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি প্রযুক্তিতে পরিণত হয়েছে। স্বল্প খরচে আনেক বেশি ড্রোনের ব্যবহার যুদ্ধের প্রকৃতিই বদলে দিচ্ছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তর কোরিয়াও নিজেদের মনুষ্যবিহীন হাতিয়ার তৈরির সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোর জন্য হুমকি বাড়ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পরিকল্পনায় লেজার ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভ অস্ত্রের মতো ড্রোন-রোধী ব্যবস্থা সম্প্রসারণের বিষয়টিও রয়েছে।

তাছাড়া, অভিযান পরিচালনার কাঠামোও এমনভাবে বদলানো হবে, যাতে প্রতিটি বাহিনী কেন্দ্রীয় কমান্ডের ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি চালানো এবং হামলা পরিচালনা করতে পারে।

এক ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানান, সেনাবাহিনী শিগগিরই ২০ হাজারের বেশি স্বল্পমূল্যের একবার-ব্যবহার্য ড্রোন সংগ্রহ করবে। একইসঙ্গে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ড্রোন-সোয়ার্ম ব্যবস্থা এবং লয়টারিং মিউনিশনও অর্জন করবে।

সূত্র: রয়টার্স।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..