সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড স্পষ্ট করেছে: অর্থমন্ত্রী রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ ধর্ষণ মামলায় আদালতে আপিল আশরাফ হাকিমির বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি ঘানা-ক্রোয়েশিয়া, হারলেই বিদায় নিশ্চিত মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের পিনোকে হারানোর শঙ্কায় স্পেন ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার ‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি

সাধারণ গ্রাহকদের ঋণ পাওয়া সহজ করে বড় সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৭, | ১১:১৬:০৪ |
সাধারণ গ্রাহকদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করা এবং খুচরা ঋণ বা রিটেইল ব্যাংকিং খাতের পরিধি বাড়াতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যক্তিগত ঋণের সর্বোচ্চ পরিশোধের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তা ঋণ (কনজিউমার ক্রেডিট) সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর ওপর এতদিন ধরে বহাল থাকা একটি বড় আইনি বিধিনিষেধও প্রত্যাহার করে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার পাঠিয়ে নতুন এই নীতিমালার কথা জানানো হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো এখন থেকে তাদের সামগ্রিক বার্ষিক ঋণ প্রবৃদ্ধির হারের চেয়েও বেশি হারে ভোক্তা ঋণের পোর্টফোলিও বাড়াতে পারবে। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম ছিল, কোনো ব্যাংকের মোট ঋণের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না তার ভোক্তা ঋণের প্রবৃদ্ধি। এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ায় ব্যাংকগুলোর জন্য এখন খুচরা ঋণ ব্যবসা বাড়ানোর পথ উন্মুক্ত হলো।

ব্যাংক খাতের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ৩ বছর বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহকদের মাসিক কিস্তির (ইএমআই) পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। এর ফলে চাকরিজীবী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া এবং তা পরিশোধ করা আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজসাধ্য হবে। তবে কয়েকজন অভিজ্ঞ ব্যাংকার সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘ মেয়াদে ঋণের সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে গ্রাহক বাছাইয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে; অন্যথায় ব্যাংকগুলোর ঋণঝুঁকি বা খেলাপি ঋণের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রবৃদ্ধির এই সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ তুলে নেওয়ার ফলে ব্যাংকগুলো তাদের ভোক্তা ঋণ ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও বেশি উৎসাহিত হবে, যা বাজারে ব্যক্তিগত ও খুচরা ঋণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

এর আগে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎচালিত ও হাইব্রিড গাড়ি কেনায় উৎসাহিত করতে গত ৫ মে ব্যক্তি পর্যায়ের ঋণসীমায় বড় ছাড় দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই সময় ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড যানবাহন ক্রয়ের ক্ষেত্রে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ২০ লাখ টাকা বাড়িয়ে ৮০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি এ খাতের ঋণ-বিনিয়োগ অনুপাত (ইকুইটি রেশিও) ৬০:৪০ থেকে পরিবর্তন করে ৮০:২০ শতাংশ করা হয়, যার ফলে একজন গ্রাহক এখন গাড়ির মোট দামের ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..