✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৫, | ১৮:৩৯:২৮ |বিশ্বকাপ মিশন হতাশায় শেষ হয়েছে তুরস্কের। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচেই হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত করেছে দলটি। তবে মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছেন গ্যালারিতে থাকা এক সমর্থক। অদ্ভুত ও ব্যতিক্রমী সাজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন তুরস্কের ভক্ত উদি নেকো।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের পরাজয়ের পর তুরস্কের নকআউটের আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। পরে প্যারাগুয়ের কাছেও হার মানে তারা। তবে দলের ব্যর্থতার মাঝেও দর্শকদের নজর কেড়ে নেন উদি নেকো।
ভ্যাঙ্কুভারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে সম্প্রচার ক্যামেরা একবার তার দিকে ঘুরতেই মুহূর্তের মধ্যে ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তার ব্যতিক্রমী চেহারা কৌতূহল তৈরি করে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।
প্রথম দেখায় তাকে যেন রহস্যময় কোনো চরিত্র মনে হয়। পুরো মুখ কালো রঙে রাঙানো, বিপরীতে চুল ও দাড়ি সাদা। চোখে সাদা লেন্স ব্যবহারের কারণে তার উপস্থিতি আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে।
‘উদি নেকো’ নামে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম নেজদেত ওলচেরমান। বিশ্বকাপে ভাইরাল হওয়ার আগেই তুরস্কে তিনি সুপরিচিত একজন সমর্থক। দেশটির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব বেসিকতাসের নিবেদিতপ্রাণ ভক্ত হিসেবে পরিচিত ওলচেরমানকে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতেও নিয়মিত গ্যালারিতে দেখা যায়।
হাঙ্গেরির সংবাদমাধ্যম টেলেক্সের তথ্য অনুযায়ী, বেসিকতাসের ঐতিহ্যবাহী কালো-সাদা রঙের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি এই বিশেষ সাজ ধারণ করেন। মুখ কালো রঙে রাঙিয়ে চুল ও দাড়ি সাদা রাখেন, যা ক্লাবটির রঙের প্রতীক বহন করে।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের দাবি, প্রতিটি ম্যাচের আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করে তিনি নিজেকে এই রূপে সাজান। শুধু দর্শকদের নজর কাড়ার জন্য নয়, বরং ‘ব্ল্যাক বুল’ বা কালো ষাঁড়ের প্রতীক হিসেবেও এই সাজের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
তার ডাকনাম ‘উদি নেকো’র পেছনেও রয়েছে ভিন্ন গল্প। ‘নেকো’ এসেছে তার নাম নেজদেতের সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে। আর ‘উদি’ শব্দটি এসেছে তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ‘উদ’ থেকে, যা বাজাতে পারদর্শী ব্যক্তিদের ‘উদি’ বলা হয়।