✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৪, | ১২:২৭:১৯ |

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত মো. রাসেল (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা খেলা দেখার কথা বলে বাসা বাহিরে যায়। আমি ভাইকে ফোন করে ছিলাম, সে আমাকে  বলেন, তিনি খেলা দেখছিলেন, ঘণ্টা খানিক পর বাসায় চলে যাবেন। কিন্তু সংবাদ পাই, সে গুরুতর আহত, সে হাসপাতালে আছে। 

তিনি জানান, তার ভাইয়ের পরিচিত স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি কদমতলী থানার মুন্সিখোলা এলাকার নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে খানপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

এরপর নিহতের মা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়। সে মুন্সিখোলা এলাকায় একটি রডের দোকানে কাজ করতো। তবে কি কারণে, কে বা কাহারা তাকে মারধর করেছিল তাদের কে আমি চিনি না। কি কারণে মেরেছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারেনি। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..