✕

সর্বশেষ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩ নম্বরে ওঠার হাতছানি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত, থাকছে যে সুবিধা হামলার ভয়ে সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলন হাইব্রিড মডেলে করার ভাবনা ক্যান্সারসহ ৭ রোগে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন করে আবেদনের নির্দেশ শিকারিদের ফাঁদে হুমকিতে প্রকৃতির বন্ধু বক সৌদির শোধনাগারে হুতির হামলা, অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ১০৭ ডলার সৌদি আরবের নিরাপত্তায় অবিচল সমর্থনের অঙ্গীকার পাকিস্তানের বেতনের বাইরে ইনফান্তিনো পেলেন ২১ কোটি টাকা, প্রকাশ করেনি ফিফা প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব

৯ বছর পর চীন সফরে ট্রাম্প, আলোচনায় থাকবে ইরান-তাইওয়ান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৩, | ১৮:৩৫:৪০ |
দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালে তিনি সর্বশেষ এশিয়ার এই পরাশক্তি দেশটি সফর করেছিলেন।

বুধবার (১৩ মে) ট্রাম্পকে বহনকারী উড়োজাহাজ বেইজিংয়ে পৌঁছায়। এ সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় একাধিক প্রযুক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রভাবশালী নির্বাহীরা থাকছেন। তালিকায় রয়েছেন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক, টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক এবং ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্কসহ আরও কয়েকজন শীর্ষকর্তা।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সফরসঙ্গী হিসেবে ডজনখানেকের বেশি মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহী অংশ নিচ্ছেন।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে। সম্মানসূচক ভোজসভাসহ একাধিক কূটনৈতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের সফরটি ২০১৭ সালের চীন সফরের স্মৃতি মনে করিয়ে দিতে পারে, যখন ট্রাম্পকে বিশেষ মর্যাদায় অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল। সেই সময় ‘নিষিদ্ধ নগরী’ সংলগ্ন ঝংনানহাই এলাকায় বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল, যা মার্কিন কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য বিরল ঘটনা।  

এবারও ট্রাম্পের সম্মানে ঝংনানহাইয়ের ভেতরে বিশেষ নৈশভোজ আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ সফরের আলোচ্যসূচি হবে জটিল ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শুল্কনীতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি তাইওয়ান ও ইরান ইস্যুও আলোচনায় উঠতে পারে। ব্যর্থ আলোচনা হলে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।

এক দশক পর দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের এই বেইজিং সফরের সময় চীনও উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। দেশটি এখন অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

চীনের নেতৃত্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, রোবটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ বাড়ানো হয়েছে। ‘নতুন উৎপাদন শক্তি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশটি ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে নেতৃত্বের অবস্থান নিশ্চিত করতে চাইছে।

উত্তরাঞ্চলে সৌর ও বায়ুশক্তিভিত্তিক অবকাঠামোর সম্প্রসারণ ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলে স্বয়ংক্রিয় কারখানা ও আধুনিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভরভাবে উন্নত করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..