সর্বশেষ :
জামিন পেলেন ইরানের নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদী, হাসপাতালে ভর্তি পুলিশ বাহিনী চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ না করলে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫১

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১১, | ১৩:২৬:৫৫ |
সৌরজগতের প্রান্তে অবস্থিত এক দূরবর্তী ও বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে প্রথমবারের মতো পাতলা বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। কারণ এত ছোট বস্তুর পক্ষে বায়ুমণ্ডল ধরে রাখা সম্ভব নয় বলেই এতদিন মনে করা হতো।

এই বস্তুটি কুইপার বলয়ে অবস্থিত, যা নেপচুন গ্রহের বাইরে হাজারো বরফ ও পাথুরে অবশিষ্টাংশে ভরা একটি অঞ্চল। এসব বস্তু সৌরজগত গঠনের প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগের ধ্বংসাবশেষ হিসেবে বিবেচিত। এর মধ্যেই ‘(৬১২৫৩৩) ২০০২ এক্সভি৯৩’ নামে পরিচিত একটি বস্তুর চারপাশে এই অপ্রত্যাশিত বায়ুমণ্ডল শনাক্ত করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত কেবল তুলনামূলক বড় বস্তু—যেমন প্লুটো—পাতলা বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে বলে জানা ছিল। আর শনি গ্রহের উপগ্রহ টাইটানের মতো বড় জ্যোতিষ্কে ঘন বায়ুমণ্ডল দেখা যায়। কিন্তু এরিস, হাউমেয়া বা মাকেমাকের মতো বড় নেপচুন-পরবর্তী বস্তুর ক্ষেত্রেও বায়ুমণ্ডলের প্রমাণ মেলেনি। তাই এই নতুন আবিষ্কার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

জাপানের ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরির গবেষক ড. কো আরিমাতসুর নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে নেচার অ্যাস্ট্রোনমি সাময়িকীতে। বিরল এক পর্যবেক্ষণের সুযোগ কাজে লাগিয়েই তারা এই বায়ুমণ্ডল শনাক্ত করেন।

গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার ছোট মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে কীভাবে বায়ুমণ্ডল গঠিত হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে, সে বিষয়ে নতুন ধারণা দেবে। একই সঙ্গে কুইপার বলয়ের বস্তুগুলো সম্পর্কে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও নতুনভাবে ভাবার প্রয়োজন হতে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..