চীন সফরে থাকা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বেইজিংয়ের কাছে তিনটি লক্ষ্য জানিয়েছে। এ বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি ইতিবাচক বৈঠকও করেছেন বলে জানিয়েছে চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
বুধবার (৬ মে) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের জানানো এই বিষয়গুলো চীন সম্মত হয়েছে এবং বেইজিং আশ্বস্ত করেছে ভবিষৎতেও তারা তেহরানের পক্ষে থাকবে।
ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া তিনটি লক্ষ্যের প্রথমটি ছিল ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং চীনকে আশ্বস্ত করা যে তেহরান সত্যিই যুদ্ধের একটি সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তারা এমন একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধান চায় যা তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ন্যায্য ও বিস্তৃত চুক্তির পথ খুলবে।
দ্বিতীয় লক্ষ্য ছিল বেইজিং ও তেহরানের মধ্যে অংশীদারিত্বের দৃঢ়তা পুনর্ব্যক্ত করা। বিশেষ করে এমন সময়ে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের প্রস্তুতি চলছে এবং তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন।
ইরান চীনের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে চেয়েছিল, বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন কোনো আপস করবে না যা ইরানের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। একই সঙ্গে তারা চেয়েছিল চীন ভবিষ্যতেও কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ইরানকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান এই ধরনের আশ্বাস পেয়েছে।
তৃতীয় বিষয় ছিল যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পর কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা। উভয় পক্ষই একমত হয়েছে, পারস্য উপসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন শান্তি ও নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা উচিত, যা চীনের সহায়তায় বাস্তবায়িত হতে পারে।
এ জাতীয় আরো খবর..