প্রথমার্ধেই ফুলহ্যামের জালে তিনবার বল পাঠাল আর্সেনাল। বিরতির পর তাদের আক্রমণের ধার কমে এলেও, রক্ষণ জমাট রেখে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল মিকেল আর্তেতার দল।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা। জোড়া গোল করেছেন ভিক্তর ইয়োকেরেশ, অন্যটি বুকায়ো সাকা।
দারুণ এই জয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থান থেকে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে গেল আর্সেনাল। ৩৫ ম্যাচে ২৩ জয় ও সাত ড্রয়ে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। ৩৩ ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ম্যানচেস্টার সিটি।
ম্যাচের শুরুটা দারুণ হয় আর্সেনালের। লক্ষ্যে প্রথম শটেই এগিয়ে যায় তারা। গোলটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সাকা। একজনকে কাটিয়ে ডান দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলমুখে বল বাড়ান তিনি, আর নিখুঁত টোকায় বাকি কাজ সারেন ইয়োকেরেশ।
২৭তম মিনিটে সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি শট নেয় আর্সেনাল; ইয়োকেরেশের শট গোলরক্ষক পা দিয়ে আটকানোর পর, সাকার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
দুই মিনিট পর হেডে ফুলহ্যামের জালে বল পাঠান রিকার্দো কালাফিওরি। তবে গোল মেলেনি, নিজেই অফসাইডে ছিলেন এই ইতালিয়ান ডিফেন্ডার।প্রথম গোলে অবদান রাখা দুইজনের নৈপুণ্যেই ৪০তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় আর্সেনাল। এবার ইয়োকেরেশ একজনের বাধা এড়িয়ে ছোট পাস দেন বক্সের মুখে, আর বল ধরে এগিয়ে নিচু শটে কাছের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন সাকা।
আর বিরতির ঠিক আগে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। বাঁ দিক থেকে লেয়ান্ড্রো ট্রসার্ডের ক্রসে হেড করে বল গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে জালে পাঠান সুইডিশ ফরোয়ার্ড ইয়োকেরেশ।
প্রথমার্ধে একরকম কোণঠাসা হয়ে থাকা ফুলহ্যাম বিরতির পর পাল্টা আক্রমণে জোর দেয়। আটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট শটের পর, ৭২তম মিনিটে তারা লক্ষ্যে প্রথম শট নিতে পারে; যদিও টিমোথির সেই প্রচেষ্টা আটকাতে বেগ পেতে হয়নি দাভিদ রায়ার।
৮১তম মিনিটে আরেকটি গোল পেতে পারতো আর্সেনাল। গোলমুখে সবার ওপরে লাফিয়ে হেড করেন কালাফিওরি, বল গোলরক্ষক বার্নড লেনোর মাথা ছুঁয়ে ক্রসবারে বাধা পায়।
টিমোথির ওই শটের আগে-পরে ফুলহ্যামের আর কোনো প্রচেষ্টাই লক্ষ্যে ছিল না। ১৫তম হারের স্বাদ পায় দলটি।
৩৫ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে আছে ফুলহ্যাম।