✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ভিয়েতনামে চালু হচ্ছে ভিনগ্রুপের প্রথম আন্তঃনগর বুলেট ট্রেন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৮, | ১৩:১২:২৫ |
ভিয়েতনামের বৃহৎ করপোরেট প্রতিষ্ঠান ভিনগ্রুপ দেশটিতে নতুন উচ্চগতির রেল প্রকল্প শুরু করেছে।

এ বুলেট ট্রেন রাজধানী হ্যানয়কে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও পর্যটন শহরের সঙ্গে যুক্ত করবে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে হ্যানয় থেকে কোয়াং নিনহ যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩০ মিনিট। এখন যেখানে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা। ভিনগ্রুপ জানিয়েছে, নতুন জাতীয় পরিষদের পাঁচ বছরের মেয়াদ শুরু উপলক্ষে এ প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে।

সম্প্রতি কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে জানায়, ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ রেললাইন বাক নিনহ, হাই ফং ও পর্যটন কেন্দ্র হে লং বে-কে সংযুক্ত করবে। এর মধ্যে হে লং বে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের অন্তর্ভুক্ত।

নতুন বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার। রেলপথটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১২০ কিলোমিটার। প্রকল্পে প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছে জার্মানভিত্তিক কোম্পানি সিমেন্স। তারা ট্রেন, রেললাইন ও সার্ভিস সবকিছু সরবরাহ করবে। এর আগে গত ডিসেম্বরে ভিনগ্রুপ উত্তর-দক্ষিণ রেল প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল। এখন তারা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। কোম্পানিটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণ করছে, যা ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ চালু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হলে হ্যানয় থেকে কোয়াং নিনহ পর্যন্ত এ রেললাইনটি হবে ভিয়েতনামের প্রথম আন্তঃআঞ্চলিক বুলেট ট্রেন পরিষেবা। তবে প্রকল্পের বাজেটে ভূমি অধিগ্রহণের খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। দেশটি এ বিষয়গুলো সাধারণত সবচেয়ে জটিল ও চ্যালেঞ্জিং ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। সিমেন্স মবিলিটির সিইও মাইকেল পিটার বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের ট্রেন প্রায় ১০ লাখ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে, যা চাঁদের দূরত্বের তিন গুণ। আমাদের নিরাপত্তা রেকর্ডও অতুলনীয়।’

তিনি আরো জানান, এ প্রকল্পে বিস্তৃত প্রযুক্তি স্থানান্তর কর্মসূচি থাকবে।

ভিয়েতনাম অ্যাপল, স্যামসাংসহ বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরেই প্রযুক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এ প্রকল্প ভিয়েতনামের পরিবহন খাতে বড় পরিবর্তন আনবে। একই সঙ্গে শিল্প ও পর্যটন খাতেও গতি বাড়াবে।

খবর ও ছবি: নিক্কেই এশিয়া

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..