✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

তাহাজ্জুদ অবস্থায় সুবহে সাদিক হয়ে গেলে করণীয় কী?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৬, | ১৮:২৭:৩৫ |
তাহাজ্জুদ নামাজের নির্দিষ্ট সময় হলো রাতের শেষ প্রহর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত। মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের এই শ্রেষ্ঠ সময়ে অনেক মুসল্লি গভীর মগ্নতায় নামাজ আদায় করেন। তবে কখনো কখনো সময়ের হিসাব রাখতে না পারায় নামাজ চলাকালেই ফজরের আজান হয়ে যায় বা সুবহে সাদিক উদিত হয়।

ইসলামি ফিকহ বা আইনশাস্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী, যদি কেউ সুবহে সাদিকের আগে অর্থাৎ তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত থাকাবস্থায় নফল বা তাহাজ্জুদ নামাজ শুরু করেন এবং নামাজ শেষ করার আগেই ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যায়, তবে সেই নামাজ বাতিল হবে না। এটি নফল হিসেবেই গণ্য হবে এবং এর সওয়াব আমলনামায় যুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

অনেকে মনে করেন, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর যেহেতু কেবল ফজরের সুন্নত ছাড়া অন্য নফল নামাজ পড়া নিষেধ, তাই হয়তো এই নামাজটি মাকরূহ হবে। কিন্তু শরিয়ত বলছে ভিন্ন কথা। যেহেতু নামাজটি বৈধ সময়ে শুরু করা হয়েছে, তাই মাঝপথে ওয়াক্ত শেষ হয়ে গেলেও তা মাকরূহ বা অপছন্দনীয় হবে না।

বিখ্যাত ফাতাওয়া গ্রন্থ ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/৫২), রদ্দুল মুহতার (১/৩৭৪) এবং আলবাহরুর রায়েক (১/২৫৩)-এ এই মাসআলাটি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল্লামা যয়লায়ী (রহ.) তার বিখ্যাত গ্রন্থ তাবয়ীনুল হাকায়েক (১/২৩৪)-এ উল্লেখ করেছেন যে, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে শুরু করা নফল ইবাদত পণ্ড হয় না। সুতরাং সালাম ফেরানোর পর যদি দেখেন সুবহে সাদিক হয়ে গেছে, তবে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর রহমত অত্যন্ত প্রশস্ত। কেউ যদি সাধ্যমতো চেষ্টা করার পর নামাজের শেষাংশে সময়ের পরিবর্তন দেখে, তবে শরিয়ত তাকে ছাড় দিয়েছে। তবে সচেতন মুমিন হিসেবে আমাদের উচিত সময়ের দিকে খেয়াল রাখা, যেন তাহাজ্জুদ শেষ করে ফজরের সুন্নতের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া যায়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..