লেবাননে খুব শিগগিরই যুদ্ধবিরতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন লেবাননের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীর মুখপাত্র ও সংসদ সদস্য ইব্রাহিম মুসাভি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, ইরানসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন পক্ষের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে লেবাননে ‘শিগগিরই’ যুদ্ধবিরতি হতে পারে।
এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লেবাননের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, দেশটিতে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চলছে। তবে এটি ঠিক কবে শুরু হবে বা কতদিন স্থায়ী হবে এ বিষয়ে তারা নির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি।
তারা আরও বলেন, সম্ভাব্য এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনেকটাই নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির ওপর।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সর্বশেষ দফার আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি প্রায় ২০ ঘণ্টা চলার পর ভেঙে যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মূল কয়েকটি ইস্যুতে মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেঙে যায়। এগুলো হলো—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নৌ চলাচল এবং লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন।
আলোচনা বন্ধ থাকলে যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন অনেকেই। বর্তমানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে, যা ২১ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক চেষ্টা হতে পারে। এখনো পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ জাতীয় আরো খবর..