✕

সর্বশেষ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩ নম্বরে ওঠার হাতছানি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত, থাকছে যে সুবিধা হামলার ভয়ে সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলন হাইব্রিড মডেলে করার ভাবনা ক্যান্সারসহ ৭ রোগে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন করে আবেদনের নির্দেশ শিকারিদের ফাঁদে হুমকিতে প্রকৃতির বন্ধু বক সৌদির শোধনাগারে হুতির হামলা, অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ১০৭ ডলার সৌদি আরবের নিরাপত্তায় অবিচল সমর্থনের অঙ্গীকার পাকিস্তানের বেতনের বাইরে ইনফান্তিনো পেলেন ২১ কোটি টাকা, প্রকাশ করেনি ফিফা প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব

ই-হেলথ কার্ড চালুর সম্ভাব্য সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-১১, | ২৩:১২:৪২ |
স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করতে আগামী জুনের মধ্যেই জাতীয় ই-হেলথ কার্ড চালু করার আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।


তিনি বলেন, ‘সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগ হিসেবে এই কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় ই-হেলথ আইডি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি পর্যালোচনাবিষয়ক দুই দিনব্যাপী উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইসিটি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) যৌথভাবে কর্মশালাটির আয়োজন করে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ই-হেলথ কার্ড চালু হলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উপকৃত হবে। একজন রোগী গ্রাম বা শহর যেখানেই চিকিৎসা নেন না কেন, চিকিৎসকরা এই কার্ডের মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য দেখতে পারবেন। এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা আরো দ্রুত ও কার্যকর হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ই-হেলথ আইডি স্বাস্থ্য খাতে একটি মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় একজন ব্যক্তিকে নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং হাসপাতাল, ক্লিনিক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময় করা যাবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ—ফ্যামিলি কার্ড, ই-হেলথ কার্ড ও কৃষক কার্ডের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইতিমধ্যে চালু হয়েছে। বাকি দুই উদ্যোগের কাজও এগিয়ে চলছে। এ বছরের জুনের শেষ নাগাদ ই-হেলথ কার্ড চালু করা সম্ভব হবে’ বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। অনুষ্ঠানের শেষ দিনে হেলথ আইডি, ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ইএমআর) ও শেয়ারেবল হেলথ রেকর্ড (এসএইচআর) বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আন্তঃকার্যকারিতা নিশ্চিত করা গেলে স্বাস্থ্যসেবা আরও দক্ষ, নির্ভুল ও সহজপ্রাপ্য হবে। এতে রোগীর তথ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ সহজ হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..