✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী পেল নেদারল্যান্ডস

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-২৪, | ১০:৫৯:২১ |
নেদারল্যান্ডসে সোমবার নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। ৩৮ বছর বয়সী মধ্যপন্থী রব জেটেন দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশ্য সমকামী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

অক্টোবরের নির্বাচনে জেটেন চমকপ্রদ জয় অর্জন করেন। অগ্নিমুখর রাজনীতিক গির্ট উইল্ডার্সের নেতৃত্বাধীন ইসলামবিরোধী কট্টর-ডানপন্থী ফ্রিডম পার্টিকে (পিভিভি) অল্প ব্যবধানে পরাজিত করে তিনি এগিয়ে আসেন।

পিভিভি আগের জোট সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আগাম নির্বাচন ডাকা হয়। নেদারল্যান্ডসের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ডানপন্থী ওই সরকারটি মাত্র ১১ মাস স্থায়ী হয়েছিল।

জেটেনের ডি৬৬ দল মধ্য-ডানপন্থী সিডিএ এবং উদারপন্থী ভিভিডি দলের সঙ্গে জোট গঠন করেছে। তবে ৬৬টি আসন নিয়ে তারা পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ৯ আসন পিছিয়ে থাকবে। দলগুলো ১১৭ দিনে জোট গঠন করতে সক্ষম হয়েছে, যা আগের সরকার গঠনে লেগেছিল ২২৩ দিন।

নির্বাচনে জয়লাভের পর জেটেন বলেন, ‘নিজ দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা নিয়ে প্রচারণা চালালে জনতাবাদী আন্দোলনকে পরাজিত করা সম্ভব।’

প্রচারণাকালে জেটেন বলেন, তিনি ‘নেদারল্যান্ডসকে আবার ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে ফিরিয়ে আনতে চান, কারণ ইউরোপীয় সহযোগিতা ছাড়া আমরা কিছুই নই।’

জানুয়ারিতে প্রকাশিত ইশতেহারে তিন দল ইউক্রেনের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার করে এবং ন্যাটো ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণে দৃঢ় থাকার ঘোষণা দেয়। যদিও নতুন সরকার আগেরটির মতো এতটা কট্টর-ডানপন্থী নয়, তবু এতে ‘ডানপন্থী স্বাক্ষর’ রয়ে গেছে বলে লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যাপক সারা দে ল্যাঞ্জ এএফপিকে জানান।

তিনি বলেন, ‘জোট সরকার বিনিয়োগে ঘাটতি বাড়ানোর পরিবর্তে বাজেট কাটছাঁটের পথ বেছে নিয়েছে’ এবং ‘নতুন সরকারের অভিবাসন পরিকল্পনা আগেরটির সঙ্গে উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিকতা বহন করছে।’

দলগুলো পরিবার পুনর্মিলনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়মসহ অভিবাসন দমন অভিযান জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..