সর্বশেষ :
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী মহাজাগতিক নিউট্রিনোর উৎসের সন্ধানে বড় অগ্রগতি বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা মহারাষ্ট্রে, সিট পড়লো আবুধাবিতে! ৪৫০০ বছর কীভাবে টিকে রইল গিজার গ্রেট পিরামিড, রহস্য উন্মোচন প্রথমবার জীবন্ত গবলিন হাঙরের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিচ্ছু ছিল বেসবল ব্যাটের মতো, নতুন গবেষণায় রহস্য উন্মোচন লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হবু বরকে হত্যা বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা, ফিরছে ‘সাডেন ডেথ’! বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি চালু

ট্রাম্পের ‘কাগজের বাঘ’ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যা বলল রাশিয়া

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৯-২৪, | ০৯:৩৫:১১ |

সম্প্রতি ‘রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল’ ও ‘কাগজের বাঘ’ আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তার এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কড়া জবাব দিয়েছে ক্রেমলিন। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং ইউক্রেনে সেনাবাহিনী সতর্কভাবে অগ্রসর হচ্ছে।

মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে ট্রাম্প লিখেন, পুতিন এবং রাশিয়া বর্তমানে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। এখনই সময় ইউক্রেনের জন্য দখলকৃত সব অঞ্চল পুনর্দখল করার।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইউক্রেন চাইলে রাশিয়ার দখলে থাকা পুরো অঞ্চল ফেরত নিতে সক্ষম। বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে।

 

এই মন্তব্যের জবাবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ট্রাম্প সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মনে হচ্ছে, তিনি জেলেনস্কির বক্তব্যের প্রভাবেই এমন মন্তব্য করেছেন।

ট্রাম্প রাশিয়াকে ‘কাগজের বাঘ’ বলায়, পেসকভ তা হাস্যকর হিসেবে উড়িয়ে দেন।

তিনি বলেন, রাশিয়া একটি ভালুক, আর ‘কাগজের ভালুক’ বলে কিছু নেই।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার অর্থনীতি এখনও স্থিতিশীল, আমরা ম্যাক্রোইকোনমিক ভারসাম্য বজায় রাখতে পেরেছি। হ্যাঁ, কিছু খাত সংকটে রয়েছে, তবে তা শুধু নিষেধাজ্ঞার কারণে নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতারও ফলাফল।

পেসকভ আরও দাবি করেন, রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনে সতর্ক ও পরিকল্পিত অগ্রযাত্রা করছে, যাতে ক্ষয়ক্ষতি কম হয় এবং যুদ্ধশক্তি টিকে থাকে। তিনি বলেন, আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে ধীরে অগ্রসর হচ্ছি। এটি সেনাবাহিনীর কৌশলগত সিদ্ধান্ত। যারা এখন শান্তি আলোচনায় রাজি নয়, তাদের জন্য আগামী দিন পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, রয়টার্স

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..