সর্বশেষ :
‘ইংল্যান্ডের খেলায় প্রিমিয়ার লিগের মতো তীব্রতা নেই’ প্রকৃত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তালিকা প্রণয়নে রাজনীতিকরণ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী টিকি-টাকা থেকে গতিময় ফুটবল, ১৬ বছরে বদলে যাওয়া স্পেনের গল্প বিশ্বকাপই ঠিক করবে ব্যালন ডি’অরের মালিক কে হবে : ওয়েন মেসিদের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের গোপন অস্ত্র হতে পারেন মাইনু বয়স ৯১, টানা ১৮টি বিশ্বকাপের খবর লিখছেন এই আর্জেন্টাইন সাংবাদিক হালান্ডকে থামিয়েছি, এবার মেসিকেও থামাব: টুখেল যে কারণে স্পেনকে অভিনন্দন জানাল ইরান আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ফুটবল ম্যাচ মানেই প্রতিশোধের গন্ধ! আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্যে ছিল পাকিস্তান?

কেইনকে থামাতে মাঠে নয়, ফ্রিজে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৫, | ১৭:৫৩:৪৫ |

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে উত্তেজনার পারদ চড়ছে আর্জেন্টিনা শিবিরে। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এবার আলোচনায় এসেছে সমর্থকদের এক অদ্ভুত কুসংস্কার। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে ‘নিষ্ক্রিয়’ রাখতে তার নাম লিখে ফ্রিজে রেখে দিচ্ছেন আর্জেন্টিনার কিছু সমর্থক।

আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে এমন রীতির প্রচলন নতুন নয়। দেশটির সমর্থকদের কাছে ‘কাবালা’ নামে পরিচিত এসব কুসংস্কার ম্যাচের আগে মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের উৎস হিসেবে কাজ করে।

১৩ বছর বয়সি আর্জেন্টাইন সমর্থক ইনেস মুত্রি জানিয়েছেন, বন্ধুদের মধ্যে প্রতিপক্ষের সেরা খেলোয়াড় ও গোলরক্ষকের নাম লিখে ফ্রিজে রাখার একটি রীতি রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের নাম কাগজে লিখে ফ্রিজে রেখে দিই। এবার হ্যারি কেইনের নাম রাখব, কারণ তিনি ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় গোলের অস্ত্র।’

শুধু কেন নন, জুড বেলিংহ্যামের নামও ফ্রিজে রাখার কথা জানিয়েছেন ১৮ বছর বয়সি সমর্থক হুয়ান পাবলো কালভো। তার মতে, বেলিংহ্যাম দুর্দান্ত খেলোয়াড় হলেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাই জয় পাবে।

bellingham
ছবি: রয়টার্স

আর্জেন্টিনার ফুটবলে ‘কাবালা’র ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের কোচ কার্লোস বিলার্দো নানা ধরনের কুসংস্কারের জন্য পরিচিত ছিলেন। খেলোয়াড়দের মাঠে প্রবেশের ক্রম থেকে শুরু করে বিভিন্ন ছোটখাটো বিষয়েও তার নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল।

বর্তমান আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনিও নিজের একটি অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মাঠে প্রবেশের সময় তিনি সবসময় ডান পা আগে রাখেন এবং এরপর ক্রস চিহ্ন এঁকে মাঠে প্রবেশ করেন।

সমর্থকদের মধ্যে এমন রীতির ধরনও ভিন্ন। কেউ প্রতিপক্ষের নাম উচ্চারণ করেন না, কেউ একই জার্সি পরে ম্যাচ দেখেন, কেউ নির্দিষ্ট জায়গায় বসেন, আবার কেউ ম্যাচের আগে একই খাবার খান।

তবে এসব কুসংস্কারের বাইরে মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ কথা। হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যামদের শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে পারবে কি না, সেটির উত্তর মিলবে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে।

সূত্র: রয়টার্স

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..