✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১২, | ১৫:১৪:০৯ |বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচে সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তগুলোর একটি ছিল সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড। প্রথমে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও, ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায়। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এমবোলোকে।
ম্যাচের ৭২ মিনিটে সুইজারল্যান্ড তখন দান এনদোয়ের গোলে সমতায় ফিরেছে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এমন সময় সাইডলাইনের কাছে পারেদেস ও এমবোলোর মধ্যে একটি ঘটনার পর রেফারি জোয়াও পিনহেইরো প্রথমে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান।
তবে ভিএআর দল রিপ্লে দেখে রেফারিকে ঘটনাটি পুনরায় পর্যালোচনার পরামর্শ দেয়। ভিডিওতে দেখা যায়, পারেদেসের সঙ্গে এমবোলোর কোনো সংস্পর্শই হয়নি। এমবোলো নিজেই পড়ে যান। ফলে ঘটনাটি ডাইভ বা সিমুলেশন হিসেবে বিবেচিত হয়।
এরপর রেফারি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করে এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখান। প্রথমার্ধে পারেদেসকে ফাউল করার দায়ে এমবোলো ইতোমধ্যেই একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। ফলে এটি তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে পরিণত হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
ঘটনাটি অনেকের কাছে বিভ্রান্তিকর মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে ফিফার নতুন ভিএআর বিধান। এবারের বিশ্বকাপে ভিএআর পর্যালোচনার আওতায় যুক্ত হয়েছে ভুল পরিচয় সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত। অর্থাৎ কোনো অপরাধের জন্য ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়া হলে ভিডিও পর্যালোচনার মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন করা যাবে।
এই নিয়ম অনুযায়ী রেফারি পিনহেইরো প্রথমে ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। ভিএআর সেটি শনাক্ত করার পর সঠিক খেলোয়াড় হিসেবে এমবোলোকে শাস্তি দেওয়া হয়। ফলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস এই ফরোয়ার্ডকে।
ঘটনার পর হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়েন এমবোলো। সতীর্থরা তাকে সান্ত্বনা দেন। ম্যাচে ১০ জনের দলে পরিণত হলেও সুইজারল্যান্ড অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে।