✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১২, | ১৫:০০:১৫ |বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনার ম্যাচ যেন নির্ধারিত ৯০ মিনিটে শেষ হতে চায় না। টানটান উত্তেজনা, অতিরিক্ত সময়, নাটকীয় সমাপ্তি—এ যেন আলবিসেলেস্তেদের চেনা গল্প। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও সেই গল্পের পুনরাবৃত্তি হলো। তবে এই ম্যাচ শুধু আর্জেন্টিনাকে সেমিফাইনালে তোলেনি, এনে দিয়েছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের নতুন এক রেকর্ডও।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। অতিরিক্ত সময় শুরুর বাঁশি বাজতেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ১৩ বার অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ খেলা দলের কীর্তি গড়ে আর্জেন্টিনা। এর মাধ্যমে জার্মানিকে পেছনে ফেলে এককভাবে রেকর্ডের মালিক হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এর আগে ১২টি অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে ছিল আর্জেন্টিনা ও জার্মানি। শেষ ষোলোর ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে খেলে জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করেছিল লিওনেল স্কালোনির দল। আর সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সেই সংখ্যাকে ১৩-তে নিয়ে নতুন ইতিহাস লিখল আলবিসেলেস্তেরা।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অতিরিক্ত সময়ে খেলা দলগুলোর তালিকায় আর্জেন্টিনার পর রয়েছে জার্মানি ১২ বার, ইতালি ১১ বার এবং ফ্রান্স ১১ বার।
তবে শুধু অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ খেলাই নয়, এই সময়টাতে সাফল্যের দিক থেকেও অনন্য আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে খেলা ১৩টি অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। এর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত সময়ে সরাসরি জয় এবং টাইব্রেকারে নিশ্চিত হওয়া জয়ও।
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখে আর্জেন্টিনা। ১১২ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ১২১ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেস ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
বিশ্বকাপের নকআউটে ম্যাচ যত দীর্ঘ হয়েছে, আর্জেন্টিনা যেন ততই আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। আর সেই মানসিক দৃঢ়তাই এবার তাদের এনে দিল বিশ্ব ফুটবলের আরেকটি অনন্য রেকর্ড।