✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৫, | ১০:৪৫:০৪ |বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্বাগতিক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে হেরেও প্রথমবারের মতো নকআউট জায়গা করে নিয়েছ কানাডা।
প্রথমার্ধের সমানতালে পাল্লা দিলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৫ সেকেন্ডের মধ্যেই বদলে যায় খেলার চিত্র। দ্রুত গোল আদায় করে সুইসরা। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে মোট ৭ পয়েন্ট সুইসদের। আর হেরে গেলেও শেষ ৩২-র টিকিট পেতে সমস্যা হয়নি কানাডার। তিন ম্যাচে একটি করে জয়, পরাজয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপের রানার্স-আপ হয়েছে তারা।
কানাডার সমান ৪ পয়েন্ট আছে বসনিয়ারও। দুই দলের হেড টু হেডে ড্র হওয়ায় বিবেচনায় আসে গোল পার্থক্য। যেখানে এগিয়ে থেকে নকআউট নিশ্চিত করে কানাডা। আর ৪ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত অপেক্ষায় বসনিয়া। সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে যেতে পারে তারা।
এদিকে স্বাগতিক দর্শকদের সমর্থনে কানাডাই প্রথমার্ধে বেশি সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পায়নি তারা। সুইজারল্যান্ডও পাল্টা জবাব দিলেও কানাডার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দক্ষতায় প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।বিরতি থেকে ফিরে যেন এক নতুন সুইজারল্যান্ডকে দেখে দর্শক।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ৬০ সেকেন্ডের কম সময়ের মধ্যে রুবেন ভারগাসের দারুণ গোলে লিড নেয় সুইজারল্যান্ড। এই গোলটি যেন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর ৫৭ মিনিটে ইয়োহান মানজাম্বির গোলে সুইজারল্যান্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করে ২-০ তে পৌঁছে যায়।
পরে ৫৮ মিনিটে মানজাম্বি নিজেই পান জালের দেখা। ডি-বক্সের মুখে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের সঙ্গে বল কাড়াকাড়ির পর ডান পাশে এগিয়ে দেন ব্রিল এমবলো। অনেকটা পথ দৌড়ে এসে চমৎকার শটে জাল কাঁপান মানজাম্বি। জোড়া গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন বিরতিতে বদলি হিসেবে নামানো হয় প্রমিস ডেভিডকে। খেলা শুরুর পর প্রথম ছোঁয়াতেই কানাডার প্রথম গোল করেন প্রমিস।
ওই গোলে অবশ্য নাথান-ডিলান সালিবার অবদান অনেক বেশি। নিজেদের অর্ধ থেকে উড়ে আসা লং বল নিয়ন্ত্রণে পাবেন না বুঝতে পেরে অ্যাক্রোবেটিক ভঙ্গিতে ডি-বক্সের ভেতরে ক্রস দেন সালিবা। ফাঁকায় পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান প্রমিস।
এক গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরাতে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে স্বাগতিকরা। বিশেষ করে ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সে বারবার হানা দেয় তারা। তবে একাধিক হেডার ঠেকিয়ে দেন কোবেল। একদম শেষ মুহূর্তে খুব কাছ থেকে আসা শট ঠেকিয়ে সুইজারল্যান্ডের পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন গোলকিপার। গ্রুপসেরা হওয়ার ফলে নকআউট পর্বে সুইসরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই যাত্রা শুরু করবে।