✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২০, | ১৯:২১:১৭ |বিশ্বকাপ ২০২৬ এ তাপমাত্রার কথা বিবেচনায় এনে নতুন নিয়ম চালু করেছে ফিফা। প্রতিটি ম্যাচে প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে রাখা হয়েছে হাইড্রেশন ব্রেক, যেখানে খেলোয়াড়রা পানি পান করার পাশাপাশি কোচের কাছ থেকে নির্দেশনা নিতে পারছেন।
উত্তর আমেরিকার গরম আবহাওয়ায় খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ম্যাচের ২৩তম মিনিটে খেলা থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই বিরতির জন্য।
তবে এই নিয়ম ঘিরে বিতর্কও কম নয়। ডাচ ডিফেন্ডার ফন ডাইক এই বিরতির বিরোধিতা করেছেন। তার মতে, এর আড়ালে স্পন্সরদের অর্থনৈতিক স্বার্থও জড়িত রয়েছে।
মাঠের খেলায় অবশ্য এর প্রভাব স্পষ্ট। হাইড্রেশন ব্রেকের সময় কোচরা কৌশল পরিবর্তনের সুযোগ পাচ্ছেন। ব্রাজিল বনাম মরক্কো ম্যাচে এই বিরতির সময় রাফিনহাকে ডান প্রান্তে সরানোর সিদ্ধান্তই পরবর্তীতে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলের পথ তৈরি করে।
পরিসংখ্যান বলছে, টুর্নামেন্টের প্রথম দিকের ম্যাচগুলোতে বিরতির পরপরই একাধিক গোল এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার দুটি গোলই এসেছিল হাইড্রেশন ব্রেকের পর। জাপান, বসনিয়া, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়াও এই সুবিধা কাজে লাগিয়েছে।
তবে সব পরিস্থিতিতে এই বিরতি প্রয়োজনীয় কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বৃষ্টি বা ঠান্ডা আবহাওয়াতেও একই নিয়মে খেলা থামানো নিয়ে সমালোচনা উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপমাত্রা বেশি হলে এই বিরতি খেলোয়াড়দের জন্য উপকারী। এতে দ্বিতীয়ার্ধে পারফরম্যান্স ধরে রাখা সহজ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, বিরতি না থাকলে ম্যাচের শেষ দিকে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
সব মিলিয়ে বিতর্ক থাকলেও হাইড্রেশন ব্রেক বিশ্বকাপের খেলার ধরন ও কৌশলে বড় পরিবর্তন এনে দিয়েছে।