বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রিকেটের ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির ব্যবহার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১৫, | ১৩:৪৭:১১ |

২০২৬ বিশ্বকাপে সুইডেন ও তিউনিশিয়ার ম্যাচে এবার আলোচনার কেন্দ্রে ফুটবলের স্কোরলাইন নয়, বরং এক অভিনব প্রযুক্তি—ক্রিকেটে বহুল ব্যবহৃত ‘স্নিকো’।

মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে সুইডেন ৫-১ গোলে তিউনিশিয়াকে হারালেও ম্যাচের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় একটি গোলের সিদ্ধান্ত।

ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মাটিয়াস সভানবার্গ। নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি গোল করলেও সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলেন। তবে ভিএআর (VAR) পর্যালোচনায় দেখা যায়, আলেকসান্দার ইসাকের সামান্য স্পর্শের কারণে খেলা অফসাইড হয়নি।

সেই মুহূর্তের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে ব্যবহার করা হয় ক্রিকেটে ব্যবহৃত ‘স্নিকো’ প্রযুক্তি, যা বলের সংস্পর্শ ও টাইমিং নির্ধারণে সাহায্য করে। প্রযুক্তির সহায়তায় সিদ্ধান্ত পাল্টে গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ফুটবল বিশ্লেষক ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ ফুটবলে সাধারণত এমন প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই বিরল।

ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল সুইডেনের। ইয়াসিন আয়ারির জোড়া গোল, আলেকসান্দার ইসাক ও ভিক্টর গেয়োকেরেসের এক একটি গোল এবং সভানবার্গের গোল মিলিয়ে বড় জয় পায় দলটি। তিউনিশিয়ার একমাত্র গোল আসে ওমর রেকিকের পা থেকে।

শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন আয়ারি, যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ৫-১ ব্যবধান নিশ্চিত করেন।

তবে স্কোরলাইন নয়, ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির মাধ্যমে দেওয়া গোলের সিদ্ধান্তই ম্যাচ শেষে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..