আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১২, | ১১:১৮:১৫ |

বিশ্বকাপের মতো বিশাল মঞ্চে নায়ক হয়ে ওঠার গল্প কখনোই সহজ নয়। হোয়াং ইন-বিওমের গল্পও তার ব্যতিক্রম নয়। চোট, সংগ্রাম আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শুক্রবার নিজের প্রথম ম্যাচেই তিনি জ্বলে উঠলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে যখন দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল তাকে।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তিনি করেছিলেন সবশেষ গোলটা। বাহরাইনের বিপক্ষে ওই গোলের পর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে আর কোনো গোল করতে পারেননি হোয়াং। 

শুধু কি গোল? এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তো কোনো অ্যাসিস্টও ছিল না তার নামের পাশে! তার একটা কারণও আছে বৈকি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কুয়েতের বিপক্ষে সেই অ্যাসিস্টের পর থেকে তার জীবনটাও তো রীতিমতো এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল! শেষ এক বছরে কাফ ইনজুরি, লিগামেন্ট স্ট্রেচিংয়ের মতো চোটে ছয়টি ম্যাচ মিস করতে হয়েছিল তাকে।

সেই দুঃসময় পেরিয়ে বিশ্বকাপে পা রাখলেন যখন, প্রথম ম্যাচেই জ্বলে উঠলেন। অধিনায়ক সন হিউং মিনের বাজে রাত কাটছিল চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে, সহজ সুযোগ নষ্ট করছিলেন। সেসবের খেসারত দিয়ে দলও পিছিয়ে পড়েছিল ম্যাচে।

দারুণ খেলেও হারটাকে যখন খুব কাছে মনে হচ্ছিল, তখনই সব আলো কেড়ে নিলেন হোয়াং। লি কাং-ইনের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে দারুণভাবে ধোঁকা দিয়ে বল জড়ান জালে। আড়াই বছরের গোল খরা ঘুচল। স্কোর হয় ১-১।

গোল করেই থামেননি হোয়াং। কিছুক্ষণ পরেই ডান পাশ থেকে দেন দারুণ এক কাটব্যাক। সেই পাস থেকে বদলি ওহ হিউন গিউ গোল করে কোরিয়াকে এগিয়ে দেন ২-১ গোলে।

ম্যাচে দুটো গোল পেয়েছে কোরিয়া। সেই দুটির একটি করলেন, অন্যটি করালেন। হোয়াং বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক, তাও আবার সবচেয়ে বড় মঞ্চে। দুঃসময়কে পেছনে ফেলতে এর চেয়ে ভালো উপলক্ষ যেন পেতেনই না হোয়াং ইন-বিওম!

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..